এই ছায়াপথেই আছে ভিনগ্রহী প্রাণ! ‘নেচার’ পত্রিকায় দাবি একাধিক জ্যোতির্বিজ্ঞানীর 

আজকাল ওয়েবডেস্ক: মহাবিশ্বে আমরা একা কি না সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বহু সময়, অর্থ ব্যয় করেছেন বিজ্ঞানীরা। বিজ্ঞান যত আধুনিক হয়েছে, তত এলিয়েন বা ভিনগ্রহীদের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়েছে। অন্তত এই সৌরজগতে প্রাণ নেই তা নিয়ে মোটামুটি নিশ্চিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু সাম্প্রতিক কালে ফের এই নিয়ে সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একাংশ মনে করছেন, আমাদের আকাশগঙ্গা ছায়াপথেই (মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি) হয়তো ভিনগ্রহীদের বাস। এই কথা তাঁরা জানিয়েছেন বিখ্যাত ‘নেচার’ পত্রিকার একটি অনলাইন বিতর্কসভায়। 
নামী অ্যাস্ট্রোবায়োলজিস্ট জন্টি হর্নার বলেছেন, নক্ষত্র থাকলে তার গ্রহ থাকবেই। আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতেই রয়েছে কমপক্ষে ৪০ হাজার কোটি নক্ষত্র। এছাড়া অন্যান্য ছায়াপথে আরও অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। সুতরাং প্রায় সেই পরিমাণ গ্রহ থাকা স্বাভাবিক। আর এত গ্রহের কোথাও প্রাণের সঞ্চার হয়নি, এমনটা মনে হয় না। এমনকী মানুষের চেয়ে উন্নত প্রাণী সেখানে থাকতেই পারে। তবে আমাদের ছায়াপথের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দূরত্ব ১০ লক্ষ আলোকবর্ষ। দুটি তারার মধ্যে ব্যবধান ১০ হাজার আলোকবর্ষের। ফলে প্রাণ থাকলেই যে ্খুব তাড়াতাড়ি যোগাযোগ করা যাবে তা নয়। 
আর এক নামী মহাকাশ বিজ্ঞানী স্টিভেন টিঙ্গের মতে এই মিল্কিওয়েতেই প্রাণ রয়েছে। তাঁর যুক্তি, প্রাণ সৃষ্টির জন্য উপযুক্ত উপাদানের অনেক কিছুর খোঁজ ইতিমধ্যেই পাওয়া গেছে বহির্বিশ্বে। তবে তিনি বলছেন, মানুষের থেকে উন্নত প্রাণ যেমন থাকতে পারে, তেমন ব্যাকটেরিয়া কিংবা এককোষী জীব থাকাও অসম্ভব নয়।