স্বপ্নময় চক্রবর্তী: অনঙ্গমোহনের মনে হ‌ল— উনি যেন ছিনতাইকারী। একজনকে জমিচ্যুত করছেন। সামান্য মাথা চুলকোলেন। তারপর মনে হল— টাকাপয়সা দিয়েই নিচ্ছেন— বিনেপয়সায় তো নয়। 
বললেন— এই সব ফসল আপনেই ভোগ করেন। আমি তো এখনই আসব না। ঘর তুলব, তারপর। এখনও বিলম্ব আছে। লালমোহন সাহা বললেন— আগামী রবিবার চলে আসেন। আমিন দিয়ে ফাইনাল মাপামু। খুঁটি পুতন হইব, তারপর বেড়া দিয়া দেন। আমিনের চল্লিশ টাকা আপনি দিবেন। 
—আবার খরচ.‌.‌.?‌
—আরে এইসব ডিফারেন্ট খুচখাচ খরচ তো আছেই। কিছু ভাববেন না পণ্ডিতমশাই, ভূতে জোগাইবে।
আবার লালমোহন সাহার বাড়ি। চা। একটা প্লেটে কয়েকটা হাতি–ঘোড়া বিস্কুট। বিস্কুটের আকৃতি হাতি–‌পাখি বা প্রজাপতির মতো।
দুর্গা দুর্গা বলে ব্যাগের ভিতর থেকে ব্যাগটা বের করলেন অনঙ্গমোহন। অয়ং আরম্ভ শুভায় ভবতু।‌ ব্যাগের ভিতরে ব্যাগ। সেখান থেকে টাকাটা বের করার সময় বুকে রেলগাড়ির ভুসভুস!‌ সব ঠিকঠাক হোক হে ঈশ্বর!‌
দেবনাথ বলল— আমি আগেও বলেছি, আমি তিনশো টাকায় রাজি না। নিকুঞ্জ এক কাঠার জন্য তিনশো পাইলে আমিও কোন যুক্তিতে তিনশো পাই?‌
লালমোহন সাহা বলল— আবার প্যাঁচাল পাড়ো ক্যান!‌ মিটিংয়েই ঠিক হইছে যে যত অ্যাকস্ট্রা রাখছে, ছাইড়া দিবে, এবং সবাই একই টাকা পাইবে। এই জমি কারও বাপের না!‌ কেউ যদি সাত কাঠা অ্যাকস্ট্রা রাখে, সে কি সাত কাঠার দাম পাইবে নাকি?‌ এইডা কমিটির কথা। এইবার যদি গরুতে আর বাছুরে ষট্‌ থাকে তবে গিরস্ত কী করবে!‌ সোরি, সোরি, এই উদাহরণটা ঠিক হইল না। আপনে পণ্ডিতমশয়।
অনঙ্গমোহন বলেন— আর পণ্ডিত!‌ আমরা এইস্থানে সব এক গোত্রধারী। রিফিউজি গোত্র। তার আর পণ্ডিত অপণ্ডিত ভেদ কী?‌
দেবনাথ একটু সংস্কৃত ঝাড়লেন। আরে পণ্ডিতাঃ সর্বত্র পূজ্যতে।
এরপর থেকে অনঙ্গমোহনকে প্রায়ই আসতে হয়েছে। বয়স বাহাত্তর অতিক্রান্ত। কার্তিক সংক্রান্তিতে জন্ম। সেইদিন কার্তিকপূজা। ‘‌কার্তিক’‌ নাম রাখার কথা বলেছিলেন কেউ। কিন্তু পিতৃদেব রাশিলগ্ন অনুসারে ‘‌অ’‌ আদ্যাক্ষরে নাম রেখেছিলেন। কার্তিক নামে মা এবং মাতামহী ডাকতেন। এই নামে ডাকার কেউ ইহলোকে নেই বহুদিন। লোকে বলে দেখতেও নাকি.‌.‌.‌। এখন তো মাথাখান কেশ বিরল।
বাসে বড় ভিড় হয়। এই বয়সে ধাক্কাধাক্কি সহ্য হয় না আর। বিলুকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন কয়েকবার। ও খুঁটি চেনে না, বাঁশ চেনে না। নাগেরবাজার মোড়ের কাছে গরুহাটা। একসময় গরু বেচাকেনা হত নিশ্চয়। এখন হয়তো দু–‌একটা মনিহারি দোকানে প্লাস্টিক নির্মিত খেলনার গরুছাগল বিক্রি হয়, কিন্তু গরুহাটা নামটা রয়ে গেছে। উজিরপাড়া গ্রামের ভট্টাইজ পাড়াটা কি এই নাম ধারণ করে আছে এখনও?‌ নাকি নব নামকরণ হয়েছে।
গরুহাটার বিপরীতে কয়েক ঘর ডোম বাঁশের কাজ করে। ওখানে বেড়ার অর্ডার দেওয়া হয়েছিল। ওদের লোকজনই ঘর করছে। চারপাশে চারটি শালের খুঁটি। মাঝের খুঁটি দুটি পাকা বাঁশের। মুলিবাঁশের চাঁচরির দেওয়াল। সামনে একটু বারান্দা। বারান্দার দুই ধারে ঘেরা দিয়ে দুটি ছোট ঘর। একটি পাকঘর। পাকঘর না, রান্নাঘর। পাক বললেই পাকিস্তান মনে হয় কেন?‌ ‘‌পাক পাক পাক পাকিস্তান, জিন্না সাহেব মেহেরবান’‌ এ তো তবু ভাল। পাক পাক পাক পাকিস্তানের পরের লাইনটি ক্রমশ পরিবর্তন হতে হতে ‘‌মালাউনের কাছাটান হয়ে, হিঁদুর বউ ঘরে আন’‌ যখন কোথাও কোথাও সমবেত ধ্বনিতে প্রকাশিত, তখনই তো জন্মভূমি পরিত্যাগের সিদ্ধান্ত।
রান্নাঘরের অপর দিকের ছোট ঘরটিকে অনঙ্গমোহন নিজের ঘর বানাবেন। যে ক’‌টা বইপত্র অবশিষ্ট আছে, রাখবেন। আবার চেষ্টা করবেন চতুষ্পাঠীটি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার। যদি সফল না হয়, ছাত্র পড়াবেন। টিউশনি যারে কয়। ইংরাজিটা পড়ানোর দরকার কী?‌ বাংলা পড়াবেন। বিশেষত ব্যাকরণ, ইতিহাস, ভুগুল.‌.‌.‌। ইংরাজির তো রীতিমতো অক্ষরজ্ঞান আছে। ছোট বাক্যগঠনও জানা। পামকিন চালকুমড়া কুকুম্বার শসা, ফিলজফার বিজ্ঞলোক প্লৌম্যান চাষা.‌.‌.‌ এসব তো জানাই। ফিশ যদি মৎস্য হয়, পক্ষী হইল বার্ড, মিল্ক যদি দুগ্ধ হয় দধি হইল কার্ড। এসবও মনে আছে। জীবজন্তু, খাদ্যাদি, ইত্যাদির ইংরাজিও তো বাল্যাবস্থায় মুখস্থ ছিল। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে থ্যাংকিউ, প্লিজ, ফরগেট অ্যান্ড ফরগিভ এসব কথাও তো জানেন অনঙ্গমোহন। ফ্রি, অ্যাকস্ট্রা, পবলেম, টেনশন ইত্যাদি শব্দাবলিও তো মাঝেমধ্যে ওঁর কণ্ঠে উচ্চারিত হয়। তা বলে টিউশনিতে ইংরিজিটা বাদ। টিউশনি ছাড়া আর কী করা যায়?‌ কিছু রোজগার তো করাই লাগে। এই যে একটা নতুন বোঝা চাপল, স্বপ্নের বোঝা। গত দশ বছর স্বপ্ন টপ্ন কিন্তু ছিল না। এইবার যেটা ঘাড়ে চাপল— সহজে তো নিষ্ক্রান্ত হবে না। ঘরের সামনে একটা নলকূপ। সেটা এখনই নয়, পরে। ঘরের মাটির মেঝে পাকা করার সাধ। বাঁশের বেড়ার পরিবর্তে ইটের দেয়াল, এই সবই তো স্বপ্নদোষ।
দেবনাথের উঠানে বসে কাজের তদারকি করছেন অনঙ্গমোহন। রৌদ্র একটু কড়া। একটা আমগাছের ছায়ায় বসছেন। একটা আমগাছ উনিও লাগাবেন। দেশের বাড়ির আমের আঁটি ক’‌টা রেখে দিয়েছিলেন। ছ’‌মাস আগে ভাইপো দিয়ে গিয়েছিল। এখনও কি ভাল আছে?‌ আগামী বর্ষার আগে রোপণ করলে সেই আঁটিতে গাছ হবে না। গাছ হলেও কি ফলটা দেখে যেতে পারা যাবে?‌ মা ফলেষু কদাচন। ফলের আশা কইরো না। নিজের রসিকতায় নিজেই মৃদু হাসলেন। বাবায় পুঁতে আঁটি, পুতে খায় পরিপাটি। পুত নাই, বিলু আছে। ও খাবে দেশের বাড়ির আম্রফল।
অনঙ্গমোহন ‌তাকিয়ে আছেন ভূমিখণ্ডের দিকে। একটা গর্তে একটু জল জমেছে, জলে একটা পাতা। পাতার উপর ফড়িং। আহা কী সুন্দর!‌ ভূমিখণ্ডটি বর্ধিত হতে থাকে। জলজমা গর্তটি পুকুর হয়ে যায়। বাড়ির পিছপুকুর।
শাপলা হয়েছে। সাদা ফুল, লাল ফুল। ফড়িংয়ের ঝাঁক। ওইখানে করমচা গাছটি, এইদিকে সুপারির সারি। গাছ বেয়ে উঠছে কুন্দ লতা।
গরুডার হইল কী?‌ এত ডাক পাড়ে ক্যান?‌ হাঁসগুলিও ডাকে। হংসধ্বনি। আয় আয় আয় চৈ চৈ.‌.‌.‌। ধপ কইরা কী পড়ল?‌ ঝুনা নাইরকল?‌
ওঃ। হাতুড়িটা পড়ে গেছে মিস্ত্রিদের।
অনঙ্গমোহন চেয়ে আছেন ভূমিখণ্ডটির দিকে। ওখানে কল্পরচনা করছেন ছেড়ে আসা ভিটে। নিকুঞ্জও বিষাদে চেয়ে আছে এই ভূমিখণ্ডের দিকে। হয়তো দেবনাথও। ওরা উপড়ে নিচ্ছে মায়া দূর্বা। খুবলে খুবলে তুলছে স্বপ্নবীজ। যা ওদের ছিল, আর নেই। নতুন বাড়ির খুঁটি আগেই পোঁতা হয়ে গেছে। চারদিকে চারটি শালের খুঁটি। জব্বার মিঞার চিঠির কথা মনে পড়ল। ভিটের দাম ঠিক করেছিল সে খুঁটি–‌বরগা, পাল্লা–‌টিনের হিসাবে। ১৬টি শালের খুঁটি ছিল বাড়িটার। অনঙ্গমোহনের জানা ছিল না। জব্বার জানিয়েছিল বলে জেনেছিল। কেউ কি তাঁর জন্মভিটার খুঁটি–‌বরগার হিসাব রাখে?‌
বাঁশের বেড়ার দেওয়াল বসছে বেড়া কেটে। বাঁশের ফ্রেমে টিনের পাতের জানালা এবং টিনের চাল হবে। জন্মাবধি কোঠাবাড়ি দেখা নাতি–‌নাতনির এই বাড়ি নিশ্চয় পছন্দ হবে না।
এবার গরম লাগলে দেবনাথের বারান্দায় এসে দাঁড়ালে দেবনাথের কন্যাটি চেয়ার এনে সামনে রাখে। এখানে বসেন কাকা। ছায়ায়। মা বলেছে— দুপুরে দুটো ডালভাত খেয়ে যেতে।
অনঙ্গমোহন বললেন— মায়েরে কও গুড় চিড়া সঙ্গে আছে। একটু জল হলেই হইবে।
একটু পরই বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেবনাথের মায়ের কম্পিত কণ্ঠ শুনলেন অনঙ্গমোহন। ‘‌এরিও.‌.‌.‌ হুইনছেন নি?‌ আমনে বোলে ইয়াঁনো বাত খাইতেন নঁ?‌ ক্যা?‌ দুপুরে আইয়া চিড়া খাইবেন, ক্যা? আঁয়ারা কম বামন নি?‌ আম্মেরা উচা বামন নি?‌ হিয়াল্লাই নি? মনে রাইখ্যেন, ইয়াঁনো আঙ্গোর একই জাত।
এক্কেবারে গ্রাম্য নোয়াখালিতে কথা বলেন গুণধরের মা। অনেকদিন পর এরকম ‘‌দেশের ভাষা’‌ শুনলেন অনঙ্গমোহন। গুণধরের মায়ের বয়স সম্ভবত অনঙ্গমোহনের চেয়ে কমই হওয়ার কথা। গুণধরের বয়স পঞ্চাশের এদিক–‌ওদিক। কিন্তু গুণধরের মা কুঁজো হয়ে গেছেন, গলার স্বরেও কম্পন।
উনি কেন এমন বললেন— অনঙ্গমোহনের বুঝতে অসুবিধা হল না।
নাথ–‌দেবনাথদের ‘‌যুগী’ বলা হত। এটাও শুনেছেন— নাথাঃ শূদ্রবৎ দ্বিজাঃ। কেন এমন বলা হত অনঙ্গমোহন জানেন না।
এটুকুই জানা ছিল যে ওঁরা শিবকে প্রধান দেবতা মনে করেন। কাউকেই যোগসাধনা করতে দেখেননি অনঙ্গমোহন, তবু কেন ওদের ‘‌যুগী’‌ বলা হয় জানা নেই। এ নিয়ে মাথাও ঘামাননি। ওদের সঙ্গে বিবাহ ইত্যাদি হয় না, এটুকুই জানা আছে। অনঙ্গমোহন বললেন— না ঠারিন, আম্মে কী কথা কন?‌ আবার ক্যা ভ্যাজাল–দিগ্‌দারি কইরবেন। চিড়া লৈ আইছি, খাইয়ুম। কোনও অসুবিধা নাই। এক্‌গা বাটি হাইলেই যথেষ্ট।
গুণধরের মা বললেন— আঁয়ারা বৈ বৈ বাত খাইয়ুম আর আম্মে চিড়া চিবাইবেন, হেয়া হইত নঁ। ডাইল বাত হইছে, খাই যাইবেন— যদি আঙ্গোরে নিচা বাঁওন না মনে করেন।
রাজি হতেই হল।
গুণধরের কাকা কৈলাস দেবনাথ আর অনঙ্গমোহন একসঙ্গে খেতে বসলেন। ঘোমটা মাথায় ভাত বেড়ে দিল গুণধরের স্ত্রী। কৈলাস দেবনাথের সঙ্গে আগেও কিছুটা বাক্যালাপ হয়েছিল। উনি একটু কম কথাবার্তা বলেন। উনি বলেছিলেন উনি একটি মহাকাব্য রচনায় ব্রতী আছেন। সেই মহাকাব্যটির নাম ছিন্নমূল।
কৈলাস দেবনাথ কাঁসার থালা থেকে ভাত নিয়ে থালার ডানদিকের ভূমিতে নয়টি নৈবেদ্য রাখলেন। প্রতিটি নৈবেদ্যেয়  পাঁচ–ছয়টি করে ভাত। অর্থাৎ প্রায় পঞ্চাশটি অন্নকণা। গণ্ডূষ একটি অভ্যাস।
কৈলাস হাতের কোষায় জল নিয়ে, যেন অনঙ্গমোহনকে শুনিয়েই মন্ত্রোচ্চারণ করতে থাকলেন— ওঁ ভূপতায় নমঃ, ওঁ স্বপতায় নমঃ, ওঁ নাগায় নমঃ, ওঁ কুর্মায় নমঃ.‌.‌.‌।
অনঙ্গমোহনও অভ্যাসবশত গণ্ডূষ দেন, কিন্তু একটির বেশি অন্নকণা অপচয় করেন না। হ্যাঁ, অপচয়ই তো, নাগ–‌কুর্ম–‌কৃকরদের অন্ন নিবেদন করার কী যুক্তি?‌  কৈলাস গণ্ডূষে জল নিয়ে মন্ত্রোচ্চারণ করলেন ওঁ অমৃতাপি ধানমসি স্বাহা.‌.‌.‌। এই খাদ্যবস্তুসকল অমৃতসম হোক। হোক কইলেই তো হয় না রে ভাই, সেই কবে হইতে কাতরকণ্ঠে কওয়া হয় পৃথিবী মধুময় হোক। মধুবাতা ঋতায়তে। হইছে?‌ চাওয়াই যায়— ডাইল ভাত পোলাও হউক,  কুমড়াখণ্ড ক্ষীরখণ্ড হউক, কচুসকল গাজরে পরিণত হউক.‌.‌.‌।
ঘোমটা মাথায় গুণধরের স্ত্রী পরিবেশন করছেন। ভাত, কলমির শাক, আর ধোঁয়া–ওঠা বেগুনভাজা দিয়ে গেল। বলল— ঘরে যা রান্না হইছে, হেডাই দিলাম। আম্নের লাই আলাদা কিছু করি নাই।
অনঙ্গমোহন বার্তাকু–‌নির্গত সুগন্ধি ধূম্র থেকে চোখ সরিয়ে মূকাভিনয়ে বার্তা দেবার চেষ্টা করেন— যে এ নিয়ে কিছু ভাবার দরকার নেই— শাকভাতই যথেষ্ট ছিল, তার ওপর গরম বেগুনভাজা। অনঙ্গমোহন ভোজনের সময় মৌন থাকেন। এটাও অভ্যাস। উপনয়নের পর থেকেই এটা অভ্যাস করানো হয়েছিল। এরপর মাছও এল। বাইল্যা মাছ। কলকাতার বাজারে যা বেলেমাছ নামে বিক্রি হয়। সরিষা–‌লঙ্কা যোগে বাইল্যা ঝাল। এরপর মুসুরির ডাইল। বহু পদ।
পদবাহুল্যে জর্জরিত অবস্থা মূকাভিনয়ে দেখান পুনরায়। কৈলাসও মূকাভিনয়ে বলেন পেটভরে খান। বাটিতে সামান্য ডাল রেখে দেন অনঙ্গমোহন। সব শেষে চুমুকে খান। এটা বাঙাল ধর্ম। পূর্ববাংলায় খেসারি ছাড়া অন্য ডাল তেমন উৎপন্ন হত না। তাই ডাল ছিল বড় আদরের। এখন এখানে যদিও ডাল পর্যাপ্ত। কিন্তু অভ্যাসটা রয়েই গেছে। অভ্যাস সহজে ছাড়ে না।
ভোজন শেষে একটা সুখ উদ্‌গার দিলেন অনঙ্গমোহন। ■

ছবি: দেবব্রত ঘোষ

জনপ্রিয়

Back To Top