Thailand Christmas: একুশের ক্রিসমাসে থাইল্যান্ড কোথাও যেন ছন্দহীন

মৌমিতা আইচ, ব্যাংকক: ২৫ শে ডিসেম্বর, যিশুখ্রিস্টের জন্মদিন। আমরা সবাই জানি, এই দিনটিকে কেন্দ্র করেই বড়দিনের উৎসব পালিত হয় গোটা বিশ্বে। সুদূর বেথেলহেম নগরে জন্মেও যিশুখ্রিস্ট কিন্তু দেশ-বিদেশ সর্বত্র সমাদৃত। বহু মহাপুরুষ এই বিশ্ব দুনিয়ায় এসেছেন মানব সভ্যতাকে সমৃদ্ধ করতে। কিন্তু বোধহয় কারোর জন্মদিনে এভাবে দেশ-বিদেশ মিলেমিশে একাকার হয় না। তাই ক্রিসমাস ডে উপলক্ষে দেশ-বিদেশের ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট, দোকান সেজে ওঠে এবং ভরে ওঠে আলোয়, ক্রিসমাস ট্রি, তারা, ঘণ্টায় আর রকমারি পাম কেক, পেস্ট্রি, কুকিজের গন্ধে।

আর এই বিষয়গুলোর দিক দিয়ে বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলির থেকে থাইল্যান্ড দেশটিও ব্যাতিক্রম নয়। গোটা থাইল্যান্ডে তথা ব্যাংককে ধুমধামের সঙ্গে বেশ জাঁকজমকপূর্ণভাবেই প্রতি বছর ক্রিসমাস পালিত হয়। যার রেশ থেকে যায় মোটামুটিভাবে নতুন বছরের ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত। এবছরেও গোটা থাইল্যান্ড সেজেছে ক্রিসমাসের সাজে, কিন্তু কোথাও যেন একটা ফাঁক পরিলক্ষিত।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২০ সাল থেকে অন্যান্য উৎসবের মতো থাইল্যান্ডে ক্রিসমাসেও জনসমাগম ও  সাজ-সজ্জা , জাঁকজমকে কিছুটা হলেও ভাটা পড়েছে।

কারণ অবশ্য একটাই, কোভিড। তবে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর-নভেম্বর থাইল্যান্ডের বেশিরভাগ মানুষের কোভিড টিকাকরণ সম্পন্ন হয়ে যাওয়ায় এবং কোভিড পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকায় আবার সব কিছু স্বাভাবিক ছন্দেই ফিরছিল, ক্রিসমাসের সাজসজ্জাও শুরু হয়ে গেছিল। কিন্তু এরই মধ্যে এসে জুটল ওমিক্রন।

আরও পড়ুন: ব্যাংককের 'দ্য মল বাংকাপি' উপস্থাপনার এক সংক্ষিপ্ত নিদর্শন

এখনও অবধি থাইল্যান্ডে প্রায় ২০৭ জন ওমিক্রনে আক্রান্ত। একে কোভিডের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে রক্ষা ছিল না, দোসর এসে জুটল ওমিক্রন। কার্যত আবারও চালু হতে চলেছে সেই নিয়ম-কানুন। তাই এবারের মানে একুশের ক্রিসমাসে গোটা থাইল্যান্ড তথা ব্যাংককে সাজ-সজ্জা , জাঁকজমকে ভাটা না পড়লেও জনসমাগমে কিন্তু কিছুটা হলেও ভাটা পড়েছে। ক্রিসমাস পালিত হচ্ছে বটে কিন্তু সবটাই যেন একটু অন্যরকম, অনেক বেশি নিয়ন্ত্রিত।

আকর্ষণীয় খবর