জামশেদপুর এফসি ২    এটিকে–মোহনবাগান ১ 
(‌ভালসকিস ২)‌             (‌র‌য় কৃষ্ণা)

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ তুমুল লড়াই। তবে শেষ হাসি হাসল জামশেদপুর এফসি। ২–১ ব্যবধানে হারাল এটিকে–মোহনবাগানকে। টুর্নামেন্টে প্রথম হারের মুখ দেখতে হল হাবাসের দলকে। টানা তিন ম্যাচ জয়ের পর আটকে গেল মোহনবাগান।
এই প্রথম মোহনবাগান রক্ষণ চাপ অনুভব করল। গত তিন ম্যাচে দেখা গিয়েছিল দ্বিতীয়ার্ধে খোলস ছেড়ে বেরোয় এটিকে–মোহনবাগান। এদিন কিন্তু শুরু থেকেই আক্রমণে গিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণারা। কিন্তু দলের মধ্যে এদিন যোগসূত্রই ছিল না।
দলের রক্ষণ বারবার ফ্লপ করল। জামশেদপুর প্রথম গোল করল কর্ণার থেকে। ৩০ মিনিটে সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকে টপকেই হেডে প্রথম গোল করে যান ভালসকিস। গত মরশুমে ভালসকিস যুগ্ম সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন রয় কৃষ্ণার সঙ্গে। ভালসকিসকে ম্যান মার্কিংয়ে রাখার চেষ্টা করেও কাজ হয়নি। প্রথম গোলের আগে জামশেদপুরের হার্টলির হেড গোললাইন থেকে বাঁচান এটিকে–মোহনবাগানের ডিফেন্ডার প্রীতম কোটাল। প্রথম গোলের পরে জামশেদপুর চাপ বাড়ায় এটিকে–মোহনবাগানের পেনাল্টি বক্সে। তখন হাবাসের দলকে ফিকেই দেখিয়েছে। তার উপরে দলের ভরসা রয় কৃষ্ণাকে অকেজো করে দেন বড় চেহারার হার্টলি। 
গোটা ম্যাচে ১০ টি কর্ণার পেয়েছে জামশেদপুর। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করে তারা মাঠে নেমেছিল। 
লড়াইটা ছিল যেমন হাবাস ও ওয়েন কোয়েলের। তেমনই রয় কৃষ্ণা ও ভালসকিসের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ছিল আইএসএলে। গতবারের ফাইনালে হাবাস হারিয়েছিলেন কোয়েলের চেন্নাইয়িনকে। এবার দল বদলেছেন কোয়েল। তাঁর কাছেই হারতে হল হাবাসকে। মেগা টুর্নামেন্টে হাবাস কখনওই টানা চারটে ম্যাচ জেতেননি। 
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতা ফেরাতে পারতেন কৃষ্ণা। ডানপ্রান্ত থেকে প্রবীর দাসের গড়ানে সেন্টার থেকে ফ্লিক করেছিলেন কৃষ্ণা। কিন্তু জামশেদপুর গোলকিপার রেহনেশ সেই প্রচেষ্ট ব্যর্থ করেন। ৬৬ মিনিটে ভালসকিসের গোলে ব্যবধান বাড়ায় জামশেদপুর। মরিয়া হাবাস ম্যাচে ফেরার জন্য কয়েকটি পরিবর্তনও আনেন। মনবীর সিং নামার পরে জামশেদপুরের উপরে চাপ বাড়ায় এটিকে–মোহনবাগান। গোলের সুযোগও তৈরি করেছিল হাবাসের ছেলেরা। ৮০ মিনিটে রয় কৃষ্ণা গোল করেন। জামশেদপুরের ফুটবলাররা অফসাইডের দাবি করেন। কিন্তু রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি। খেলার শেষ লগ্নে মনবীর সিং গোল করার মতো জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। 


 


জনপ্রিয়

Back To Top