ঈশিতা কর্মকার:‌ খুব কম লেখক‌ই, ‘‌ভিনি ভিডি ভিসি’‌ বলার সৌভাগ্য নিয়ে সাহিত্যের আঙিনায় পদার্পণ করেন। প্রাথমিক কিছু জড়তা তাঁকে নিরন্তর বাধা দিয়ে চলে।নিরলস প্রচেষ্টায় সেই বাধা কাটিয়ে উঠতে পারলে দেখা মেলে খাঁটি সোনার। এক‌ই সমীকরণে ‘‌মায়াবিনীর ম্যানিকুইন’‌–কে ফেললে দেখতে পাই, ভাষার ব্যবহার ও বানানগত কিছু ভুলত্রুটি বাদ দিলে সেই সোনায় খাদের পরিমাণ প্রায় নেই বললেই চলে। আগাগোড়া সিনেম্যাটিক ও জীবন্ত এই উপন্যাস পড়তে গিয়ে চিত্রনাট্য পাঠের অনুভূতি হ‌ওয়া আশ্চর্যের কিছু নয়।তা লেখকের সচেতন প্রয়াসের‌ই ফসল।ব্যক্তিগতভাবে মনে করি,থ্রিলারের সার্থকতা তার ভাষার সৌকর্যে নয়, ভাষার প্রাঞ্জলতায়।আর সেই আসল জায়গায় কিস্তিমাত করেছেন লেখক।যেকথা না বললেই নয়,প্রকাশনাজগতে নতুন হলেও দ্য কাফে টেবল কিন্তু তার 'নতুন লেখক' ও পাঠকমুখী কর্মকাণ্ড এবং উপস্থাপনার জন্য ইতিমধ্যেই সুবিদিত।পাঠক ও লেখক উভয়ের জন্যই এ বড় সুখের সময় ব‌ই কী। অত‌এব, থ্রিলারপ্রেমীগণ, আগামী শীতে শিহরিত হ‌ওয়ার উপকরণ হিসেবে এই ঝরঝরে থ্রিলারে চোখ না রাখতে পারলে ক্ষতিটা যে আপনাদের‌ই তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

জনপ্রিয়

Back To Top