Workation: এবার পুজোয় বেড়ানো আর অফিসের কাজ একসঙ্গেই হতে পারে! জানুন কীভাবে

আজকাল ওয়েবডেস্ক: করোনা আবহে ভ্রমণের পরিভাষাও বদলে গিয়েছে অনেকখানি। ওয়ার্ক ফ্রম হোম আর ওয়ার্ক ফর হোমের চাপে বেড়াতে যাওয়ার ফুরসত পাচ্ছেন না অনেকেই। তার মধ্যে আবার করোনার আতঙ্ক! তবে এই আবহে নয়া সেনসেশন ওয়ার্কেশন। এখন আর ভ্যাকেশন নয়। বরং নিউ নর্মাল দুনিয়ায় ট্রাভেলে ইন ওয়ার্কেশন। ভাবছেন এই ওয়ার্কেশন কী? ওয়ার্কেশন হল ওয়ার্ক + ভ্যাকেশন। মানে ঘুরতে গিয়ে কাজ বা কাজ করতে করতে ঘোরা। এমন অদ্ভুত ভাবনার কথা কি আগে কখনও ভাবতে পেরেছিলেন? ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এটাই এখন নতুন সেনসেশন। 

 

পুজোর সময় যদি ওয়ার্কেশনের পরিকল্পনা থাকে। তাহলে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেবেন জানুন। 

১. ইলেকট্রিসিটি আর ভাল নেট পরিষেবা। এইদুটো ঠিক থাকলেই ঘুরতে গিয়েও অফিসের কাজ অনায়াসে করতে পারবেন। কয়েকটি হোটেলের মালিকেরা বলছেন, যারা কাজের চাপে ঘুরতে যেতে পারছেন না, তাঁদের কথা মাথায় রেখে হোটেল বা হোম স্টেতে হাই স্পিড নেট পরিষেবা রয়েছে। ফলে কখনও ঘরে বসে, বা পাহাড়ের কোলে কোনও বাগানে বসেও কাজ করতে পারবেন। সারাদিন কাজের পর বিকেলের দিকে ঘুরতেও যেতে পারেন। 

২. বিদেশ ভ্রমণ হয়তো এই মুহূর্তে সম্ভব নয়। তাই দেশের মধ্যেই বেড়িয়ে পড়তে পারেন। হিমাচল প্রদেশ, জয়পুর, যোধপুর, উদয়পুর, কুর্গ, মুক্তেশ্বর, মহারাষ্ট্র, কেরালা, কর্ণাটকেও শুরু হয়েছে ওয়ার্কেশনের ব্যবস্থা। 

৩. ওয়ার্কেশনের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, নিরাপত্তা। হোটেল কর্তৃপক্ষ সুরক্ষার ব্যাপারেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। করোনা আবহের কথা মাথায় রেখে ঘর, গাড়ি প্রত্যেকটা জায়গাই প্রতিদিন পরিষ্কার করে স্যানিটাইজ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যাতে ঘুরতে এসে কেউ অসুস্থ না হয়ে পড়েন। 

৪. সপ্তাহে পাঁচদিন হোটেলে বসে কাজ এবং আশেপাশে ঘুরতে তো যেতে পারবেনই। তাছাড়াও ছুটির দিনে একটু দূরেও ঘোরার সুযোগ থাকছে। বাড়ির চার দেওয়ালের বাইরে কয়েক সপ্তাহ এমন পরিবেশে কাজ করলে নিঃসন্দেহে ফ্রেশ লাগবে। সেই সঙ্গে পুজোটাও জমে যাবে।