Kali Puja: দীপাবলির আগের রাতেই ফাটল শব্দবাজি , আজ বড় পরীক্ষার মুখে পুলিশ

আজকাল ওয়েবডেস্ক: রাজ্যের নির্দেশ ছিল শুধুমাত্র সবুজ বাজি ফাটানো যাবে।

বাকি সমস্ত বাজি নিষিদ্ধ। এবার এই সবুজ বাজি কালীপুজোর রাতে দু’ঘণ্টা ফাটানো যাবে বলেও নির্দেশ দেওয়া গিয়েছিল। তখনই অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন, আদালতের সেই নির্দেশ মানা হবে তো? এবার সেই আশঙ্কা সত্যি হল। কালীপুজোর আগের রাতেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে শব্দবাজি ফাটানোর অভিযোগ উঠল। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের তরফেও আগাম কোনও ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে অভিযোগ। তাই দীপাবলির রাতে কী হবে, সেই নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।  

পরিবেশবিদদের মতে, দুর্গাপুজোয় যাঁরা দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো করোনা সতর্কতা ভুলে মণ্ডপে প্রতিমা দর্শন করতে ভিড় করেন, তাঁরা আদালতের রায়ের পরোয়া করেন না।

অবশ্য পুলিশের শীর্ষ মহলের দাবি, বৃহস্পতিবার সন্ধা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কড়া নজরদারি চালানো হবে। তবে পুলিশ কতটা সাফল্য পাবে, তা এখন প্রশ্নের মুখে। কালীপুজোয় নাইট কার্ফু তুলে দেওয়ার ঘোষণা আগেই করেছিল রাজ্য। পাশাপাশি সবুজ বাজিতে ছাড় থাকছে। পুজোর রাতে জোড়া ছাড়ের মধ্যে বিধি পালন করাতে গিয়ে যে সমস্যার মুখে পড়তে চলেছে পুলিশ, তা বোঝাই যাচ্ছে। 

আরও পড়ুন: খুলে গিয়েছে দক্ষিণেশ্বরের দরজা, রাতভর পুজো দেওয়া যাবে, তবে মানতে হবে এই নিয়মগুলি

পুলিশের এক আধিকারিকের কথায়, 'সন্ধা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পুলিশকে একদিকে পথের ভিড় সামলাতে হবে। অন্যদিকে নিষিদ্ধ বাজি ফাটানোও রুখতে হবে। হাতে অস্ত্র বলতে কড়া নজরদারি আর কড়া আইন প্রয়োগ।'

লালবাজার সূত্রে খবর, নিষিদ্ধ বাজি ঠেকাতে প্রতিটি থানায় ৫-৬টি করে দল তৈরি করা হয়েছে। তাঁরা বিকেল থেকেই নিজেদের এলাকায় ঘুরে টহল দেবে। শহরের অলিগলি চষে ফেলতে মোট ১১৫টি অটো ভাড়া নেওয়া গিয়েছে। সঙ্গে ৯টি ডিভিশনে দু’জন ইনস্পেক্টরের নেতৃত্বে ১০০ জন পুলিশকর্মীকে ‘স্ট্যান্ডবাই’ রাখা হচ্ছে দু’দিনের জন্য। তবে মানুষ সতর্ক না হলে কোনও ব্যবস্থায় কাজে দেবে না বলে দাবি পুলিশের।

আকর্ষণীয় খবর