Kali Puja: বলি দেখে বিচলিত হয়ে পড়েন মা কালী, তাই শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা হত! 

আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ডাকাত কালীর পুজোর কথা কমবেশি অনেকেই শুনেছেন।

পুনর্ভবা নদীর ধারে ঘন জঙ্গলের মধ্যে ডাকাতরা কীভাবে মা-এর পুজো করত, জানেন? বলির সময় মা-কে বেঁধে রাখত। কারণ ওই সময় কালী প্রতিমার পা নড়ে ওঠে। বেদি থেকে নামতে চান দেবী। তাই বলির সময় মায়ের পায়ে শেকল পড়িয়ে রাখা হত। কথিত আছে, এক সময় নাকি নরবলিও হত এখানে। তবে এখন কেমন পরিস্থিতি সেখানে?অতীতের প্রথা আজও চালু রয়েছে? জেনে নিন ডাকাতদের পুজোর ইতিহাস।

ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে আদিবাসী গ্রাম মানিকোড়া। বহুবছর ধরে এই রীতিতেই কালী পুজো হয়ে আসছে সেখানে। আজও  প্রথা মেনে বলি হয়। তবে পশু বলি। এদিন প্রায় হাজার খানেক ছাগবলি পড়ে এখানে। তবে এখন আর মায়ের পা শেকল দিয়ে বাঁধা হয় না। কিন্তু এখানকার জনগণ বিশ্বাস করেন, বলির সময় মা বিচলিত হয়ে পড়েন। তাই তাঁর মুখ ঢেকে দেওয়া হয়। বলি না দেখলে বেদি ছেড়ে নামার চেষ্টা করেবেন না দেবী, এমনই বিশ্বাস তাঁদের। 

আরও পড়ুন: ধনতেরাসের দিন কেন সোনা বা ধাতু কিনতে হয় জানেন?​

বলা হয়, ডাকাতরা যেহেতু চুপিচুপি গোপনে পুজো করত, সেইজন্য নিঃশব্দে হতো এই পুজো। তাই কালী মা কোনওরকম আওয়াজ শুনতে পছন্দও করতেন না। ধীরে ধীরে জনবসতি বাড়তে থাকে। ডাকাতরা পুজো থেকে সরতে থাকে। ঠিক সেইসময় পুরো পুজোর দায়িত্ব নিয়ে নেয় এলাকার জমিদার ভৌরবেন্দ্র নারায়ণ রায়। তবে জমিদারি চলে যেতে থাকায় গত ১০০ বছর আগে পুজোর দায়িত্ব জমিদাররা তুলে দেন গ্রামবাসীদের হতেই।

তারপর থেকেই ধুমধাম করে পুজো হয় মা কালীর। এই কালী পুজোকে ঘিরে হবিবপুর সহ মালদায় বেশ সাড়া পড়ে। ঢল নামে ভক্তদের ঢল নামে। সাতদিন ধরে এখানে বসে মেলা বসে।

আকর্ষণীয় খবর