Durga Puja: অতিমারি শেষ! ষষ্ঠী থেকেই পিলপিল করে লোক আছড়ে পড়ছে মণ্ডপে মণ্ডপে

আজকাল ওয়েবডেস্ক: কে বলবে মাস কয়েক আগেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ-এর ত্রাসে কাঁপছিল গোটা বিশ্ব, দেশ আর এই রাজ্য। অ্যাম্বুলেন্সের অভাব, হাসপাতালে শয্যার জন্য হাহাকার, ওষুধের জোগান নেই। সবমিলিয়ে যেন কালরাত্রিতে দিনযাপন সকলের। পুজোর আবহ, আনন্দ যেন সবটা ভুলিয়ে দিল। 

 

করোনার আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা দিয়েছে, জীবন বড়ই অনিশ্চিত। এই ধারণা থেকেই প্রতিটা দিন প্রতিটা মুহূর্ত যেন লুটেপুটে নিয়ে বাঁচতে চাইছেন সকলে। তাই বলে কোনও সতর্কতা মানা হবে না! নিজেদের জীবন বাজি রেখে আনন্দে মাততেই হবে! 

ষষ্ঠীর বোধন থেকেই উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতার দৃশ্য নতুন করে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের। এক একটা মণ্ডপে উপচে পড়ছে ভিড়। ভিড়ের মধ্যে অধিকাংশেরই মুখে মাস্ক নেই। আরও ভয়ের বিষয়, দশ বছরের কমবয়সিদের মুখের মাস্ক না থাকা। করোনার তৃতীয় ঢেউ-এ সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ার কথা শিশুদের উপর। চিকিৎসকদের কথা যেন ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ। 

মাস্ক পরার কথা সিভিক ভলেন্টিয়ার্স থেকে পুলিশ বললেই সপাটে একটাই উত্তর, 'কোথায় করোনা! মাস্ক পরলেও তো করোনা হবে। তার চেয়ে বরং মাস্ক খুলে আনন্দ করি।' চিকিৎসকদের মতে, রাজ্য বা দেশের করোনা সংক্রমণের গ্রাফ দেখে নিশ্চিন্তে রয়েছেন সকলে। পুজোর এই ভিড় ১৪ দিন থেকেই বিপদ ডেকে আনতে পারে। কারণ এখন ভাইরাসের সংক্রমণ হলে কয়েকদিন পর তা টের পাবেন মানুষ। আরও দুশ্চিন্তার বিষয় হল, এই সংক্রমণ নিয়েই বাড়ির সকল সদস্যদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। পুজোর আনন্দে মেতে উঠলেও আবহ এবং পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়ে সচেতনতা না দেখালে গোটা সমাজ আরও অন্ধকারে ডুবে যাবে। 

আকর্ষনীয় খবর