Durga Puja: ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে অষ্টমীর সকালে কুমারী দুর্গা রূপে পুজো পেল সাহেবা খাতুন

আজকাল ওয়েবডেস্ক: একেই হয়তো বলে উৎসব। কথায় তো অনেকেই আজকাল বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। হুগলির চুঁচুড়ায় এমন অন্য নজিরের সাক্ষী থাকল গোটা রাজ্যবাসী। 

সকল ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে শারদীয়ার অষ্টমীর সকালে কুমারী দুর্গা রূপে পূজিত হল পাঁচ বছরের সাহেবা খাতুন। মা দুর্গার সামনে সাহেবার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন সকলে। কাশ্মীরে এক মুসলিম মেয়েকে কুমারী রূপে প্রথম পুজো করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। সেই প্রথা আজও অব্যাহত রয়েছে চুঁচুড়ায় ঝিঙেপাড়ার সারদা রামকৃষ্ণ সেবাশ্রমে। তবে এই প্রথম নয়। সাহেবার দিদিও কুমারী দুর্গা রূপে পূজিত হয়েছে। এমনকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিশুকন্যারও পুজো হয়েছে এইখানে। আশ্রমের তরফে স্বামী দুর্গাত্মানন্দ মহারাজের বক্তব্য, রামকৃষ্ণের আদর্শ মেনে চলে এই আশ্রম। এখানে ধর্মীয় ভেদাভেদের কোনও স্থান নেই। এই আশ্রমে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে কাজ করা হয়। 

সনাতন শাস্ত্র মতে কুমারীর মধ্যেই মা দুর্গার বসত। মৃন্ময়ী প্রতিমার চিন্ময়ী রূপ। মেয়ে এই মঠে পূজিত হচ্ছে বলে খুবই আনন্দিত সাহেবার বাবা মহম্মদ আজহারউদ্দিন। তিনি জানিয়েছেন, সাহেবার আগে গত চার বছর ধরে কুমারীর আসনে বসেছে তারই দিদি। অষ্টমীর সকালে এমন সাম্প্রদায়িক বিভেদ ভুলে সকল সম্প্রদায়ের এক হওয়াকে কেন্দ্র করে খুশির রেশ ছড়িয়েছে ওই গ্রামে।