আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বাবা–মা দিন মজুর। মাথায় ছাদ পাওয়ার ক্ষমতা হয়নি। ফুটপাথেই কাটত দিনরাত। অভাব, অনটনকে সঙ্গী করেই পড়াশোনাটা চালিয়ে গেছে সে। তার ফলও পেল আজ হাতেনাতে। প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক পাশ করল ভারতী খান্দেকার। পেল ৬৮ শতাংশ নম্বর। 
বাবা–মায়ের পাশাপাশি উচ্ছ্বসিত ইন্দোরের প্রশাসনও। এর পর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে লক্ষ্মী যাতে সমস্যায় না পড়ে, তাই তাকে একটি ফ্ল্যাট দিল পুরসভা। এবার থেকে এক বেডরুমের সেই ফ্ল্যাটই লক্ষ্মী আর তার পরিবারের নতুন ঠিকানা। ইন্দোরের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার অফিসার প্রশান্ত দিঘে জানালেন, ভারতীকে একটি ফ্ল্যাট দিয়েছে পুরসভা। আগামী দিনে আর পড়ার খরচ দিতে হবে না ভারতীকে। তাকে নতুন চেয়ার, টেবিল, বইপত্রও কিনে দেওয়া হয়েছে।
ভারতীর বাবা–মা দিন মজুরের কাজ করে সংসার চালান। তার আরও দুই ভাই রয়েছে। তবে মেয়েকে কোনওদিন পড়াশোনায় বাধা দেননি বাবা–মা। সেজন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে মেয়েও। বলল, ‘‌অনেক অভাবের মধ্যেও আমার স্কুল বন্ধ করেনি বাবা, মা। কষ্ট করে আমায় লেখাপড়া শিখিয়েছে। এতদিন ফুটপাথে বসেই পড়েছি। এখন পুরসভা একটা ফ্ল্যাট দিল। তাদেরও ধন্যবাদ দিতে চাই।’ ভারতীর মা জানালেন, মেয়েই তাঁর ঘরের লক্ষ্মী। অনেক কষ্ট করে পড়াশোনা চালিয়েছে। রাস্তার আলোতেই পড়তে হয়েছে তাকে। পড়াশোনা করে কী হতে চায় ভারতী?‌ জানাল, আইএএস হবে সে।  

ছবি এএনআই থেকে‌ 

জনপ্রিয়

Back To Top