আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বিশালাকায় ৩০ কেজির ঘোল মাছটি যখন জালে উঠেছিল, তখন একটু বিব্রতই হয়েছিলেন মহেশ এবং তাঁর দাদা ভরত। নিজেদের ছোট্ট ডিঙিতে তুলে কোনওমতে সেটিকে নিয়ে পাড়ে আসেন। কে জানত সেই মাছই তাঁদের লাখপতি করে দেবে। রোজকার মতই অন্য সব মাছের সঙ্গে ঘোল মাছটিকেও পাইকারি বাজারে নিয়ে হাজির হন তাঁরা। মাছটি দেখা মাত্র দর দাম শুরু হয়ে যায়। দাম চড়তে শুরু করে লাফিয়ে লাফিয়ে। শেষে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় গিয়ে রফা হয়। 
উন্নত মানের এই ঘোল মাছ মূলত ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এর গুণ এতটাই বেশি যে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, হংকং–এর বাজারে রপ্তানি করা হয়।সাধারণত ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয় এই মাছ। কয়েকদিন আগে উটানের এক মৎস্যজীবী ঘোল মাছ ধরে  প্রায় ৬ লাখ টাকায় বিক্রি করেছিলেন। এবার লাভবান হয়েছেন মুম্বইয়ের পালঘরের দুই মৎস্যজীবী মহেশ এবং ভরত। 
ঘোল মাছের চামড়ার নাকি ঔষধি গুণ মারাত্মক। শুধু ওষুধ নয়, এই চামড়া থেকে প্রসাধনী সামগ্রিও তৈরি করা হয়। এমনকী ওয়াইন শুদ্ধকরণের কাজেও এই মাছের জুরি মেলা ভার। বিশ্বের বাজারে এই মাছ যে বহুমূল্য তাতে কোনও সন্দেহ নেই। 
মহেশ এবং ভরতের জালে যে দৈত্যাকার এক ঘোল মাছ ধরা দিয়েছে সেই খবর সোমবার সকালে দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়েছিল মুম্বইয়ের মাছের আড়তে। তাঁদের ডিঙি কখন উপকূলে ভিড়বে সেজন্য ভোররাত থেকে ভিড় করে ছিলেন আড়তদাররা। ২০ মিনিটের নিলামে মাছের দর সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠে যায়। 

জনপ্রিয়

Back To Top