আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ পিকনিকের আনন্দে মশগুল মাতঙ্গরা। শুনে ভিরমি খাওয়ার অবস্থা হয়েছে তো?‌ হওয়ারই কথা। হাতিদেরও যে পিকনিক হয় তা জানতেন না তো। জানতে হলে আপনাকে যেতে হবে মধ্যপ্রদেশের কানহা জাতীয় উদ্যানে।
সেখানে গেলে দেখতে পাবেন, এখন পরিবারের সঙ্গে পিকনিকে ব্যস্ত জাতীয় উদ্যানের কুনকি হাতিরা। আর যেহেতু এটা হাতিদের পিকনিক, তাই খানাপিনার পরিমাণটাও যেমন অতিরিক্ত বেশি, তেমনই পিকনিকের সময়টাও।

শনিবার থেকে টানা সাতদিন ছানাপোনাদের নিয়ে পিকনিকের আনন্দে মেতে থাকবে এই কুনকি হাতিরা। এই সময়টা কোনও হাতি কাজ করে না। উল্টে নিজেদের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটায়। কলা, আপেল, আখ, নারকেল, রুটির ভোজ সেরে শুধুই নিজেদের মধ্যে খেলাধুলো চলে তাদের।
কানহার রেঞ্জ অফিসার জানালেন, প্রতিবছরই বন দপ্তরের তরফে কুনকি হাতিদের জন্য সাতদিনের এই পিকনিক আয়োজন করা হয়। তবে পিকনিকের মহাভোজ পশু চিকিৎসকদের নির্দিষ্ট করে দেওয়া ডায়েট চার্ট মেনেই তৈরি হয়।

আর পিকনিক মানে যে শুধুই খাওয়া আর খেলা তাই নয়, হাতিদের স্বাস্থ্যশিবিরও চলে ই সময়টায়। সব কটি কুনকি হাতিকেই মাথার এবং শরীরের ম্যাসাজ দেওয়া হয় এই সাতদিন। 
তাহলে বুঝতেই পারছেন, পিকনিকের মজা শুধু মানুষের জন্যই নয়, বন্যপ্রাণীদের কাছেও এটা সমান মজাদার। আর আমরা যেভাবে পিকনিকে খাওয়াদাওয়া, খেলাধুলো আর রকমারি আলোচনায় মেতে থাকি, তেমনই ওরাও। তবে এক্ষেত্রে আলোচনা নয়, চলে মাহুতের আদর খাওয়া আর বডি ম্যাসাজ।
      

জনপ্রিয়

Back To Top