আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মৃত্যু মানুষের জীবনে একটা চিরাচরিত সত্য। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় বহু মৃতদেহের দাবিদার থাকে না। সেগুলি হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকে। যাদের শেষকৃত্য হয় না। এই মৃতদেহগুলির সৎকারে এবার এগিয়ে এলেন এক সমাজসেবি যুবক। যা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হযেছে। এই সমাজসেবি যুবকের নাম পি.‌ মণিমরম। 
কী করেছেন এই যুবক?‌ ভেলোরের সরকারি হাসপাতালের মর্গে দেড় মাস ধরে পড়ে ছিল একের পর এক দাবিহীন মৃতদেহ। গত বুধবার সেইসব দাবিহীন মৃতদেহগুলির সৎকার করলেন সমাজসেবি যুবক পি.‌ মণিমরম। এই যুবকের একটি দলও আছে। যাঁরা এই কাজ করে থাকেন। ইতিমধ্যেই তাঁরা এক হাজার আটটি দেহ সৎকার করেছেন তাঁরা। এই কাজ তাঁরা ২০০২ সাল থেকে করে আসছেন। পুলিশের অনুমতি নিয়েই এই শেষকৃত্যের কাজ করা হয়। পালার নদীর তীরে এই শেষকৃত্যের কাজ করেন তিনি। 
কে এই পি.‌ মণিমরম?‌ জানা গিয়েছে, তিনি কৃষক পরিবারের ছেলে। যিনি স্কুলের পড়াশোনা সম্পূর্ণ করেনি। কিন্তু মানুষের পাশে থাকার জন্য তৈরি করেছেন ওয়ার্লড পিপলস সার্ভিস সেন্টার। এই সেচ্ছাসেবি সংস্থার অধীনে করা হয় শেষকৃত্যের কাজ। তবে এই মহৎ কাজ শুধু তামিলনাড়ুতে সীমাবদ্ধ নেই। তা ছড়িয়ে পড়েছে বারাণসীতেও। এই বিষয়ে পি.‌ মণিমরম বলেন, ‘‌১৭টি রাজ্যে আমাদের সেচ্ছাসেবক রয়েছে। যারা খবর দেয় এই দাবিহীন মৃতদেহের। তারপর পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া হয়। আর শেষকৃত্য করা হয়। আমরা তার জন্য কোনও টাকা নিই না।’‌ ২০১৫ সালে এই মহান কাজের জন্য তৎকালিন মুখ্যমন্ত্রী জে জয়ললিতার কাছ থেকে রাজ্য যুব পুরষ্কার পেয়েছেন তিনি। ১৮ বছর বয়সে কলকাতায় এসেছিলেন পি.‌ মণিমরম। কলকাতায় এসে মাদার টেরেজার কাজ দেখেই অনুপ্রাণিত হয়ে এই কাজে ব্রতী হন মণিমরম। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top