ভূমিপুত্র নিয়ে কর্মীদের দাবিকে সমর্থন মন্ত্রীর, মালদায় পথে নামলেন কর্মীরা

বিভাস ভট্টাচার্য

তৃণমূল কংগ্রেসে ক্রমশই জোরালো হচ্ছে ভূমিপুত্রের দাবি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এতদিন এবিষয়ে পোস্টার পড়লেও যারা পোস্টার মারতেন তাঁরা আড়ালেই থাকতেন। কিন্তু ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই খুল্লম খুল্লা নিজেদের দাবি তুলে ধরছেন তৃণমূল কর্মীরা। বালি বিধানসভায় ভূমিপুত্রের দাবিতে কর্মীদের পাশেই দাঁড়িয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ও হাওড়া জেলার তৃণমূল নেতা অরূপ রায়। বুধবার বালি বিধানসভা এলাকায় ওই এলাকার কাউন্সিলর–সহ এলাকার তৃণমূলের নেতা–নেত্রীরা এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে বালি বিধানসভা কেন্দ্রে ভূমিপুত্রর দাবিতে একমত হয়েছেন সকলেই। এলাকায় তৃণমূল নেতা তফজেল আহমেদ বলেন, ২০১১ এবং ২০১৬ তে এই বিধানসভায় দলের পক্ষ থেকে যে দু’‌জনকে দাঁড় করানো হয়েছে তাঁরা প্রথমত বাইরের লোক এবং দ্বিতীয়ত অরাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। এঁদের সঙ্গে মাটির কোনও টান নেই। আমরা শুনতে পাচ্ছি এবারও সেই বাইরের লোককেই দাঁড় করানো হতে পারে। আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলছি, এবার যেন ভূমিপুত্র এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বেছে নেওয়া হয়। আমাদের বক্তব্য হল, আমরা যদি কাউকে জেতাতে পারি, তবে নিজেরাও জিততে পারি। উল্লেখ্য, ২০১১ তে বালি থেকে তৃণমূলের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন সুলতান সিং এবং ২০১৬ তে বৈশালী ডালমিয়া।
 কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়ে অরূপ রায় জানিয়েছেন, কর্মীদের এই দাবিকে আমি সমর্থন করি এবং দলকেও বলেছি বিষয়টি যেন গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। 
একই দাবি নিয়ে বৃহস্পতিবার মালদার চাঁচল বিধানসভা এলাকায় পথে নামেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। মালদা জেলা পরিষদ সদস্য ও তৃণমূল নেতা মহম্মদ সামিউল ‌ইসলামের অভিযোগ, ২০১৬ তে এই বিধানসভায় যিনি তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন তিনি এই এলাকার লোক নয়। তাই আমরা হেরেছিলাম। এবারও শুনতে পাচ্ছি, জোট স্থানীয় একজনকেই প্রার্থী করবে। ফলে দলকে যদি জিততে হয় তবে এই এলাকা থেকেই কাউকে প্রার্থী করতে হবে। আজ কর্মীরা সেই দাবিই তুলে ধরেছেন।