আজকালের প্রতিবেদন, কালিম্পং: অবশেষে দোলাচল কাটল। কালিম্পং পুরসভার রাশ পুরোপুরিভাবে এল বিনয়পন্থীদের হাতে। বৈঠকে ২০ জন কাউন্সিলর পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থার পক্ষে সমর্থন জানালেন। পুরসভায় মোট কাউন্সিলরের সংখ্যা ২৩। এদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি ২২ জনের মধ্যে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি সবাই বিনয়পন্থীদের পক্ষেই দাঁড়িয়েছেন। স্বাভাবিক কারণেই বিমল গুরুংয়ের তৈরি করে যাওয়া পুরবোর্ডের আর অস্তিত্ব থাকল না। খুব তাড়াতাড়ি নতুন বোর্ড গঠন করে ফেলবেন বিনয় তামাংরা। যদিও জিটিএ–র প্রশাসক বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান অনীত থাপা এদিন এক প্রকার ঘোষণাই করে দিয়েছেন আগামী চেয়ারম্যানের নাম। জানানো হয়েছে পরবর্তী পুরপতি করা হচ্ছে রবি প্রধানকে এবং ভাইস চেয়ারম্যানের আসনে বসানো হবে ভীম আগরওয়ালকে। উল্লেখ করা যেতে পারে, কালিম্পঙে তৃণমূল শুরু করার পেছনে অন্যতম সক্রিয় ছিলেন ভীম আগরওয়াল। এদিকে দার্জিলিং, কার্শিয়াঙের পর কালিম্পঙের রাশ বিনয়পন্থীদের হাতে চলে আসায় গুরুং একেবারে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়লেন পাহাড়ে। উল্লেখ্য, পাহাড়ের সব পুরসভার জনপ্রতিনিধিরা বিনয় তামাংকে সমর্থন করলেও কালিম্পঙের পুরপতি শুভ প্রধান নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছিলেন না। তিনি কোন পক্ষে আছেন সেটা না বলায় পুরসভার মধ্যে থেকেও চাপ তৈরি হয়। শেষে নিজে চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দেন। কাউন্সিলর হিসেবে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আপাতত তিনি কোনও পক্ষে নেই। ফলে বিনয়পন্থীরা বুঝে উঠতে না পেরে বোর্ড ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন। এবং পুরবোর্ডের বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে আসেন। সেই হিসেবে মহকুমা প্রশাসনের তরফে এদিন অনাস্থা বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পুরসভার কার্যনির্বাহী আধিকারিক দিব্যেন্দু দাস। 

 

মাঝে অনীত থাপা, সাদা জামায় রবি প্রধান এবং অপর দিকে ভীম আগরওয়াল। ছবি: সঞ্জয় বিশ্বাস

জনপ্রিয়

Back To Top