সঞ্জয় বিশ্বাস ও অর্ঘ্য দে,কার্শিয়াং ও শিলিগুড়ি: ফের পাহাড়ে ধস। শনিবার সকালে কার্শিয়াঙে ধসের জেরে দীর্ঘক্ষণ বন্ধ হয়ে থাকল ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়ক। আটকে থাকল টয় ট্রেন। দুপুরের পর ধস সরিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে টয় ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ধীরগতিতে যান–চলাচলও শুরু হয় জাতীয় সড়ক দিয়ে। তবে শনিবার যেভাবে বৃষ্টি হয়েছে, তাতে ফের ধস নামতে পারে বলে প্রশাসনের আশঙ্কা। 
দার্জিলিং জেলার কার্শিয়াঙের গিদ্দা পাহাড়ের কাছে শনিবার সকালে ৫৫ নম্বর জাতীয় সড়কে এই মরশুমে দ্বিতীয় দফায় ধস নামে। ধসের জেরে তিনধারিয়ার মহানদী থেকে কার্শিয়াঙের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রাস্তায় আটকে পড়ে বেশ কিছু যানবাহন। ধস সরিয়ে রাস্তায় যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে দিনভর কাজ চলেছে বলে জানা গেছে। ধসের কারণে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে টয় ট্রেনের লাইনও। মাঝপথে আটকে পড়ে ট্রেন। যদিও ট্রেনে কোনও যাত্রী ছিল না বলেই জানা গেছে। খবর পেয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয় ধস সরানোর কাজ। বিপর্যয় মোকাবিলা দলও কাজ শুরু করে। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। টয় ট্রেন পরিষেবাও পরে চালু হয়ে যায়। যদিও এদিন পাহাড়ে ‘‌শহিদ দিবস’‌ পালনের জন্য রাস্তাঘাটে লোকসংখ্যা অন্যান্য দিনের তুলনায় কম ছিল। পর্যটকের সংখ্যাও ছিল তুলনামূলক ভাবে কম। যার ফলে পর্যটক বোঝাই গাড়িও খুব একটা বেশি দেখা যায়নি রাস্তায়। যে কটি গাড়ি আটকে পড়ে, সেগুলো ঘুরপথে পাহাড়ে উঠে গেছে।

জাতীয় সড়কে ধস। ছবি:‌ সঞ্জয় বিশ্বাস‌

জনপ্রিয়

Back To Top