আজকালের প্রতিবেদন, কোচবিহার, ২২ জানুয়ারি- দমদমের গোরাবাজারে বিধ্বংসী আগুনে যখন দু’জনের মৃত্যু হয়ে গেছে, ঠিক তার পর–পর বাংলার অন্য প্রান্তে কোচবিহারের পুন্ডিবাড়ি বাজারে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। সোমবার ভোররাতে। দমদমের আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে অন্তত ২০টি ইঞ্জিন আনতে হয়েছিল। তবে কোচবিহারের আগুন ৫টি ইঞ্জিন এসেই নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। আগুন ছড়াতে পারেনি আশপাশে। তার পরও ক্ষতির অঙ্ক ৫ কোটি। ভস্মীভূত হয়েছে অন্তত ৫০টি দোকান। পুরো বাজার একপ্রকার শেষ। ঘটনাস্থলে এসেছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। গোটা এলাকা দেখার পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের স্বল্পমূল্যে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। জানিয়ে দেন, ২৫ জানুয়ারি ব্যাঙ্কের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে ব্যবসায়ীদের কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, দেখবেন। এদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার জন্য বেশকিছু ত্রিপল দেন মন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, এই আগুন শর্টসার্কিট থেকেই লেগেছে। কাকভোরে যাঁরা উঠে প্রাতঃভ্রমণ করেন, তাঁদের চোখেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি সামনে আসে। পুন্ডিবাড়ির একটি দর্জির দোকান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। লোকজনের মধ্যে জানাজানি হতেই মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। পুন্ডিবাড়ি বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক রবিরঞ্জন ভাদুড়ী জানান, আমরাও জেনেছি দর্জির দোকান থেকেই আগুন ছড়িয়ে পড়েছে বলে। আমরা চাই সরকার সমীক্ষা করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সাহায্য করুক। এদিন ঘটনাস্থলে এসেছিলেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নুরুল ইসলাম। তিনি জানান, বাজারের পাশেই একটি পুকুর ছিল। সেটি এখন ভরাট হয়ে গেছে। ওই পুকুর থাকলে দমকলের অপেক্ষা করতে হত না। স্থানীয়রা আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণ করে নিতে পারতেন। আমরা চাই পুকুরটি পুনরায় সংস্কার করা হোক।‌‌

পুড়ে যাওয়ার পর পুন্ডিবাড়ি বাজার। ছবি:‌ প্রসেনজিৎ শীল 
 

জনপ্রিয়

Back To Top