পঙ্কজ সরকার, মালদা, ২ সেপ্টেম্বর- দুর্গা পুজোর আগেই খুলে দেওয়া হতে পারে বহু প্রতীক্ষিত গাজোল ব্লকের ইকো পার্ক। এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে কাজ। ইকো পার্কে ঢোকার মূল তোরণ এবং শিশুপার্কের খেলনা বসানোর কাজ চলছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আর কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ করে পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে ইকো পার্কটি।
মূলত শীত মরশুমকে সামনে রেখেই ইকো পার্কের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আবার সামনে দুর্গা পুজো। পুজোর ছুটিতে ভ্রমণপিপাসুরা ইকো পার্কে এসে ভিড় জমিয়ে থাকেন বলে পুজোর আগেই ইকোপার্কটির দ্বারোদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হচ্ছে। জানা গেছে, পাখিরালয় ও প্রজাপতি পার্ক কাজ প্রায় শেষের দিকে। ইতিমধ্যে দুটি জলাশয়ের কাজ শেষ করা হয়েছে। সেখানকার একটি জলাশয় বোটিংয়ের ব্যবস্থা থাকছে এবং অন্যটিতে রঙিন মাছ ছাড়া হবে। 
পর্যটকদের জন্য থাকছে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থাও। এজন্য নির্মাণ করা হয়েছে গেস্ট হাউস। ৫টি ঘর বিশিষ্ট গেস্ট হাউসের সব ক'টি ঘর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। থাকছে আলাদা করে কিচেন রুম, সেখানে পর্যটকরা নিজের ইচ্ছে মতো রান্না করে খেতে পারেন। গাজোল ব্লকের পান্ডুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আদিনা ইকোপার্কটি জেলার অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠতে চলেছে। কাছেই আদিনা ডিয়ার পার্ক। শীতের মরশুমে জেলাবাসীর অন্যতম পিকনিক স্পট হয়ে ওঠে আদিনা ডিয়ার। এই সময় প্রচুর পরিযায়ী পাখি ভিড় জমায় আদিনা ডিয়ার পার্কে। শুধু মালদা জেলায় নয়, পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকেও আদিনা ডিয়ার পার্কে ভিড় জমান ভ্রমণ পিপাসুরা। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আদিনা ডিয়ার পার্কের পাশাপাশি ইকো পার্কের সৌন্দর্যায়নের কাজ শুরু করা হয়। পর্যটকদের আশা, ডিয়ার পার্কের মত সমান গুরুত্ব পাবে ইকোপার্কটিও। ইকোপর্কে আট থেকে আশি সকলেরই বিনোদনের ব্যবস্থা থাকছে। 
পান্ডুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক কনক নন্দী বলেন, ‘‌১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে ৬০ বিঘা জমির ইকো পার্কের সৌন্দর্যায়নের কাজ শুরু হয়। কাজ প্রায় শেষের দিকে। ইকো পার্কে ঢোকার মূল তোরণের কাজ চলছে যুদ্ধকালীন তৎপরতায়। অন্যদিকে শিশুপার্কে দোলনা–সহ কিছু খেলনা বসানোর কাজ চলছে। আশা করা যায়, এবার শীত মরশুমে জেলায় অন্যতম ভ্রমণ ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে এই ইকোপার্ক।’‌

নবরূপে সেজে উঠছে আদিনা ইকো পার্ক।‌ ছবি:‌ প্রতিবেদক
 

জনপ্রিয়

Back To Top