আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ করোনা মোকাবিলা নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আঙুল উঠছিল। রাজ্যের বিধায়ক–সাংসদদের মধ্যেও ক্ষোভ বাড়ছিল। গত সপ্তাহে দিল্লির নেতারা গিয়ে মতামত গ্রহণ শুরু করেন। কংগ্রেস ছেড়ে ব্রাহ্মণ নেতা জিতিন প্রসাদার বিজেপি–তে যোগদানের পর আরও চাপে পড়ে যান তিনি। এর পরেই বৃহস্পতিবার থেকে দিল্লিতে শুরু করেন দফায় দফায় বৈঠক। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। আর তা থেকে একটা বিষয়ই স্পষ্ট, এখনও যোগীতেই ভরসা রাখছে বিজেপি–র শীর্ষ নেতৃত্ব। 
শুক্রবার দিল্লিতে প্রায় ১ ঘণ্টা প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। আগামী বছর উত্তরপ্রদেশে ভোটে। সূত্রের খবর, সেই ভোটের পরিকল্পনার খসড়া তৈরি হল এই বৈঠকেই। এর পর যোগী নিজেই টুইটারে সাক্ষাতের কথা লেখেন, ‘‌আজ আমার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত এবং পরামর্শ নেওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। ব্যস্ততার মধ্যে আমাকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য সময় বের করেছেন তিনি। সে কারণে ধন্যবাদ।’
এর পরে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডাও টুইট করে যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা লেখেন। ‘‌উত্তরপ্রদেশের সফল মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে সাক্ষাৎ হল।’‌ এভাবে নাড্ডা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন, যে যোগীতেই আস্থা রয়েছে তাঁদের। 
দু’‌দিন আগেই বিজেপি–তে যোগ দিয়েছেন জিতিন প্রসাদা। তার পরেই উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে শুরু জল্পনা‌। তবে কি এবার যোগীকে বাদ দিয়ে জিতিনেই আস্থা রাখবে বিজেপি!‌ কারণ জিতিন ওই রাজ্যে বড় ব্রাহ্মণ মুখ। তিনি বিজেপি–তে আসায় ১৩ শতাংশ ব্রাহ্মণ ভোটের অনেকটাই আসতে পারে বিজেপি–র ঝুলিতে। যোগীও তড়িঘড়ি চলে যান দিল্লি। মঙ্গলবার বৈঠক করেন অমিত শাহর সঙ্গে। এবার মোদি। 

জনপ্রিয়

Back To Top