আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন চীনা সেনার সংখ্যা কমানো না হলে ভারতও একতরফাভাবে সেনা কমাবে না। শনিবার স্পষ্ট ভাষায় একথা জানিয়ে দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেই সঙ্গে তাঁর ঘোষণা, ‘চীন কয়েকটি ক্ষেত্রে আপত্তি তুললেও ভারত দ্রুত গতিতে সীমান্ত অঞ্চলে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ চালাচ্ছে।’ একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, লাদাখ সীমান্তে গত ৯ মাস ধরে চলা সংঘাত পর্বের ইতি কবে ঘটবে, তা বলা সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, ‘আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে বিশ্বাসী। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা বা তারিখ নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব নয়।’ লাদাখে বেজিং বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বলেও অভিযোগ করেন রাজনাথ। সম্প্রতি একটি উপগ্রহ চিত্রে দাবি করা হয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবনসিরি জেলায় এলওসি লঙ্ঘন করে আস্ত একটি গ্রাম বানিয়েছে চীন। এ প্রসঙ্গে রাজনাথের মন্তব্য, ‘সীমান্তবর্তী ওই অঞ্চলে গত কয়েক বছর ধরে ধীরে ধীরে পরিকাঠামো তৈরি করেছে চীন।’
গত ১৫ জানুয়ারি সশস্ত্রবাহিনীর পঞ্চম ‘ভেটেরানস ডে’ উপলক্ষে বায়ুসেনার সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেছিলেন, ‘ভারত যুদ্ধ চায় না। কিন্তু দেশের গৌরবহানি হলে যত বড় সুপার পাওয়ারই হোক না কেন, উপযুক্ত জবাব দেওয়ার ক্ষমতা ধরে ভারতীয় সেনা।’ আলোচনার মাধ্যমে বিবাদ নিরসনে দিল্লির সদিচ্ছার কথা জানাতে গিয়ে রাজনাথ শুক্রবার বলেছেন, ‘‌১৯ জানুয়ারি সেনা পর্যায়ের একটি বৈঠকের জন্য চীন প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু প্রস্তাবিত বৈঠকের আগের দিন সে কথা জানানোয় আমরা বলি, বৈঠক পিছিয়ে ২৩ বা ২৪ জানুয়ারি করার জন্য।’ 


 

জনপ্রিয়

Back To Top