আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ একদল গবেষক বারবার দাবি করছিলেন, করোনার ধার অনেকটাই কমিয়ে দিতে পারে আইভারমেকটিন। রোজ এই ওষুধ খেলে সংক্রমণের সম্ভাবনা কমবে। আর কোভিড হলেও প্রাণনাশক হবে না। তাই গোয়া সরকার ইতিমধ্যে রাজ্যে কোভিড রুখতে এই ওষুধ ব্যবহারে ছাড়পত্র দিল। জানাল ১৮ বছরের বেশি বয়সি যে কেউ এই ওষুধ খেতে পারবেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কিন্তু বিষয়টি ভালো চোখে দেখছে না। রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিল তারা। 
আইভারমেকটিন আসলে অ্যান্টিপ্যারাসাইটিক ওষুধ। শরীরে কৃমি মারতে ব্যবহার করা হয়। গোয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বজিৎ রানে জানিয়েছেন, সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এই ওষুধটি পাওয়া যাবে। কারওর করোনার উপসর্গ থাক বা না থাক এই ওষুধ খেতে হবে। রানের কথায়, ‘করোনা থেকে রক্ষা পেতে আগে থেকেই এই ওষুধ খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে সকলকেই এই ওষুধ খেতে হবে। সমস্ত সরকারি দপ্তরে এই ওষুধ পাওয়া যাবে।’
কীভাবে, কতটা খেতে হবে, তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বজিৎ রানে। বললেন, পাঁচ দিন ধরে ১২ মিলিগ্রামের আইভারমেকটিন খেতে হবে। এই ওষুধ খাওয়ার ফলে করোনা আক্রান্তদের মৃত্যুর ঝুঁকি কমে। কম সময়ে সেরে ওঠেন। ব্রিটেন, ইতালি, স্পেন ও জাপানের বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসকরা এই বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখেছেন।
এদিকে হু আবার আইভারমেকটিন খাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি কর মঙ্গলবার। জানাল, নতুন করে কোনও ওষুধ ব্যবহারের আগে তার কার্যকারিতা, কতটা সুরক্ষিত জানা জরুরি। ক্লিনিকাল ট্রায়াল ছাড়া এই আইভারমেকটিন ওষুধ ব্যবহারের হু তীব্র বিরোধিতা করছে। হু এও জানিয়েছে, যে এই আইভারমেকটিন ওষুধ যে কোভিড রুখতে পারে, তার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। অর্থপূর্ণ প্রমাণ নেই। 

জনপ্রিয়

Back To Top