আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ‘‌সম্ভব, করোনা ভাইরাসকে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।’‌ মুম্বইয়ের ধারাভি মডেলকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরলেন ‘‌হু’ প্রধান টেড্রস অ্যাঢানম‌ ঘ্রিবিয়েসাস।
জেনেভার একটি ভিডিও কনফারন্সিংয়ের মাধ্যমে আয়োজন করা হয়েছিল সাংবাদিক সম্মেলন। টেড্রস অ্যাঢানম জানালেন, ‘‌গত ছ’‌সপ্তাহে বিশ্বজোড়া করোনা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে সংক্রমণ। কিন্তু কয়েকটি জায়গার গোটা পরিস্থিতিটাকে পর্যবেক্ষণ করলে বোঝা যাবে, ভাইরাস যত ভয়ানকভাবেই ছড়াক, কড়া পদক্ষেপ নিলে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যায় রাশ টানা সম্ভব। উদাহরণ হিসেবে নেওয়া যেতে পারে স্পেন, ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ভারতে অবস্থিত এশিয়ার বৃহত্তম বস্তি ধারাভি মডেল। ধারাভির মতো এত ঘিঞ্জি একটি এলাকায় সংক্রমণ ছড়ানোর কথাই। সবার ঘরে ঘরে আলাদা আলাদা শৌচালয় নেই। কয়েকটি পরিবারের জন্য একটি শৌচালয়। এছাড়া ঘরগুলি একাচালার। একে অপরের প্রায় গায়ে লাগানো। সেখানে আইসোলেশন একটি চ্যালেঞ্জ। কিন্তু সেটা করে দেখাল মুম্বই প্রশাসন। করোনা হটস্পটকে বিপদমুক্ত করল।

করোনা পরীক্ষা বাড়ানো, সংক্রমণের উৎস খোঁজা, কোনওভাবে আইসোলেট করা এবং চিকিৎসা করা। এসমস্ত পদক্ষেপ তৎপরতার সঙ্গে নিয়েছিল বলেই আজ সংক্রমণের রেখাচিত্র প্রায় সমান্তরালের দিকে। যেখানে সাড়ে ৬ লাখ মানুষের বাস, সেখানে এখন চিকিৎসাধীনের সংখ্যা এখন মাত্র ৩৫২। মোট আক্রান্ত হয়েছিল ২৩৩৫ জন। ৫ এপ্রিল ধারাভিতে প্রথম আক্রান্তের সন্ধান মেলে। তারপর থেকে প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছিল আক্রান্তের সংখ্যা। কিন্তু গত মঙ্গলবার মুম্বইয়ের এই বস্তিতে কেবল একজন আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এভাবেই যদি সচেতনভাবে পরিকল্পনা করে পদক্ষেপ করা যায়, তাহলে সংক্রমণের হার কমানো সম্ভব। তার জন্য গোটা পৃথিবীর সকল দেশকে এক হয়ে লড়তে হবে। 

জনপ্রিয়

Back To Top