আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ সাল ২০১২। নির্ভয়া গণধর্ষণ কাণ্ড। সাল ২০১৯। হায়দরাবাদ গণধর্ষণ কাণ্ড। মহিলাদের সামাজিক নিরাপত্তা আজ কোন জায়গায় এসে ঠেকেছে!‌ প্রতিনিয়ত ধর্ষণের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। প্রতিবাদে গর্জে উঠছে দেশ। কিন্তু প্রতিকার হচ্ছে কী?‌ সংসদেও জয়া বচ্চন সোচ্চার হয়েছেন। রাজ্যসভার চেয়ারম্যান বেঙ্কাইয়া নাইডুও সোচ্চার হয়েছেন। তিনি বলেছেন মহিলাদের উপর অত্যাচার ‘‌একটি সামাজিক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’‌ 
কিন্তু সর্ষের মধ্যেই যে ভূত রয়েছে। বিজেপির বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গার ধর্ষণ কাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত। উন্নাও কাণ্ডও দেশে কম আলোড়ন ফেলেনি। 
সমীক্ষা মতে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির সাংসদ, বিধায়করাই গণধর্ষণে সবচেয়ে বেশি অভিযুক্ত। বিজেপি ভক্ত সাধুরাও কম যান না। যার শেষ সংযোজন স্বামী চিন্ময়ানন্দ। ২০১৯ লোকসভা ভোটে যারা জিতে সাংসদ হয়েছেন। তাদের প্রায় অর্ধেকের নামেই মামলা রয়েছে। যার বেশিরভাগই ধর্ষণ, যৌন অত্যাচার। ২০১৪ সালের তুলনায় সাংসদদের নামে মামলার পরিমাণ ২৬ শতাংশ বেশি। 
বিজেপির জয়ী সাংসদদের মধ্যে ১১৬ জনের (‌৩৯ শতাংশ)‌ নামে ফৌজদারী মামলা রয়েছে। কংগ্রেসের সাংসদরাও পিছিয়ে নেই। বাকিদের মধ্যে জেডিইউ, ডিএমকে সাংসদরা আছেন। ২০১৪ সালে ১৮৫ জন সাংসদের নামে ফৌজদারী মামলা ছিল। আর ১১২ জন সাংসদের নামে গুরুতর ফৌজদারী মামলা ছিল। ২০০৯ সালে সংখ্যাটা ছিল ১৬২। অর্থাৎ বিজেপি কেন্দ্রে আসার পর ধর্ষণের সংখ্যা গোটা দেশ জুড়ে বাড়ছে। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top