আজকাল ওয়েবডেস্ক: তাঁর ‘ঢাই কিলো কা হাত’ বরাবরই সিনেপ্রেমীদের কাছে চর্চিত বিষয়। তবে এবার আর সিনেমার ডায়লগ নয়, অভিনেতা তথা সাংসদ সানি দেওলের একটি মন্তব্যের পরে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। সম্প্রতি সানি বলেছেন, তুচ্ছ বিষয়ে মাথা না ঘামালেও প্রয়োজনে কাউকে পেটাতেও পিছপা হন না তিনি। এই বিতর্কিত মন্তব্যের পরেই ক্ষোভপ্রকাশ করেছে কংগ্রেস। পাঞ্জাবের সাংসদ সানি দেওল বলছেন, ‘আমি তুচ্ছ বিষয়ে মাথা ঘামাই না। পাঞ্জাবের যে সব লোকজন এখন দুঃখ প্রকাশ করছেন যে তাঁদের এলাকায় কাজ হচ্ছে না, তাঁদের সরকারি কর্মীরা গিয়ে বোঝাক ভুলটা কোথায় হয়েছে, আসলে সাধারণ মানুষ নিজেরাই ভুল লোককে নির্বাচন করে এনেছে। সকলেই জানে ভুল কিছু হলে, আমি কাউকে মারার ক্ষেত্রে পিছপা হই না।’
পাঞ্জাবে গত ১৫ই ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ দিনের একটি পথসভার আয়োজন করেছে বিজেপি। রাজ্যের সব জায়গায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে সাংসদরা জানছেন কোথায় কোথায় কার কার কী কী অসুবিধা হচ্ছে?‌ সেই সভাতেই বিজেপি সাংসদ এই কথা বলেছেন। পাঠানকোট এলাকায় গিয়ে তিনি এই কথা বলেছেন। এরপরেই সেই রাজ্যের ভোয়া বিধানসভা এলাকার কংগ্রেস সাংসদ যোগীন্দর পাল বলেছেন, ‘এখানে সানির কোনও দোষ নেই। তিনি একজন অভিনেতা ছিলেন, তিনি যেভাবে সিনেমায় নাচ গান করতেন, এখানেও তাই করে ফেলেছেন। তাঁকে যাঁরা রাজনীতির জন্য বেছেছেন, ভুলটা তো তাঁদের।’
অন্যদিকে গুরুদাসপুরের সাংসদ বলছেন, সানি পাঠানকোটের সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলতে এসেছিলেন শুধুমাত্র। প্রশ্ন উঠছে যে সাংসদের দেখা এই জানুয়ারিতেও পাওয়া যায়নি। যাঁর পোস্টার পড়েছিল পাঠানপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায়, যে ‘গুমশুদা কি তালাশ এম পি সানি দেওল’, সেই সাংসদ হঠাৎ কেন সাধারণের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এলেন! প্রসঙ্গত, তিনি শেষ নির্বাচনে কংগ্রেসের প্রার্থী সুনীল ঝকরকে ৮২,৪৫৯ ভোটে গুরুদাসপুর লোকসভা কেন্দ্রে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন। তারপর থেকে তাঁকে বিশেষ কাছে পাননি সাধারণ মানুষ।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top