আজকাল ওয়েবডেস্ক: ফের যোগী–রাজ্যে উচ্চ বর্ণের হাতে দলিত যুবতীকে গণধর্ষণ এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ। নির্যাতিতা যুবতী অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৪ তারিখ উত্তর প্রদেশের হাথ্‌রাসে।
যুবতীর ভাই বললেন, ওই দিন তাঁর দাদা, বোন এবং মা বাজরা খেতে ফসল কাটতে গিয়েছিলেন। দাদা আগে বাড়ি ফিরে গেলেও তাঁর মা এবং বোন খেতেই কাজ করছিলেন। ফসল কাটতে কাটতে তাঁরা দুজনেই পরস্পরের থেকে তফাতে হয়ে যান। তাঁর অভিযোগ, তখনই ২০ বছরের ওই দলিত যুবতীকে তাঁদেরই গ্রামের উঁচু জাতের চার যুবক গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে খেতের ধারে টেনে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে এবং নির্মমভাবে মারধর করে। কিছুক্ষণ পর মেয়েকে না দেখতে পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তাঁদের মা। কিছু দূরে রক্তাক্ত, অচেতন অবস্থায় যুবতীকে উদ্ধার করা হয়। হাথ্‌রাসের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসকরা জানান, নির্যাতিতার সারা শরীরের একাধিক জায়গার হাড় ভেঙে গিয়েছে। তাঁর জিভও কেটে দেওয়া হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। অবিলম্বে দিল্লির কোনও বড় হাসপাতালে যুবতীকে স্থানান্তরিত না করা হলে তাঁর প্রাণ সংশয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা চিকিৎসকদের।
যুবতীর ভাইয়ের আরও অভিযোগ, প্রথমে তাদের সাহায্য করেনি পুলিশ। পরে জনরোষের চাপে ঘটনার প্রায় পাঁচদিন পর পদক্ষেপ করে পুলিশ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে হাথ্‌রাসের পুলিশ অফিসার প্রকাশ কুমার টুইট পোস্টে লিখেছেন, অভিযোগ পেয়ে প্রথমেই তাঁরা একজনকে গ্রেপ্তার করেন। তার কাছ থেকে নাম পেয়ে বাকি তিনজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগ এনে জেল হেপাজতে পাঠানো হয়েছে। এসপি জে‌লা বিচারককে অনুরোধ করেছে ফাস্ট–ট্র‌্যাক কোর্ট বসিয়ে দ্রুত এই মামলার যেন বিচার করা হয়।

জনপ্রিয়

Back To Top