আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ উন্নাও–এর গণধর্ষিতার শুক্রবার রাতে মৃত্যুর পর থেকেই দেশ জোড়া ক্ষোভের মুখে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। বিরোধী নেতানেত্রী থেকে শুরু করে আমজনতা সবাই তুলোধনা করছে রাজ্যের বিজেপি সরকারকে। এই অবস্থায় জনরোষ সামাল দিতে অবশেষে শনিবার আসরে নামলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। নিজের মন্ত্রিসভার দুই মন্ত্রী স্বামীপ্রসাদ মৌর্য এবং কমলরানি বরুণকে উন্নাও পাঠান যোগী। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন উন্নাও–এর সাংসদ সাক্ষী মহারাজও। কিন্তু মন্ত্রী–সাংসদদের গাড়ি যুবতীর গ্রামে ঢুকতে দেখেই গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এতদিনে তাঁদের আসার কী দরকার সেই প্রশ্ন তুলে মন্ত্রীদের ফিরে যাওয়ার স্লোগান দেন তাঁরা। বিক্ষুব্ধ জনতাকে সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিসকে। মৃতার পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রীর তহবিল থেকে ২৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করে স্বামীপ্রসাদ মৌর্য গ্রামবাসীদের বলেন, মুখ্যমন্ত্রী সহ পুরো রাজ্য সরকারই মৃতার পরিবারের পাশে আছে। সব দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে কড়া শাস্তি দেবে সরকার। মৌর্য আরও আশ্বাস দেন, মৃতার পরিবার যেমন চাইবে তেমন তদন্তই করা হবে। স্থানীয় সাংসদ সাক্ষী মহারাজ বলেন, সংসদেও এনিয়ে ইতিমধ্যেই গলা চড়িয়েছেন তিনি।
শনিবার সকালেই ২৩ বছরের ওই যুবতীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে যোগী আদিত্যনাথ বলেন দোষীদের ফাস্ট ট্র‌্যাক কোর্টে দ্রুত বিচার হবে। তারা সবাই সব চেয়ে কঠিন শাস্তি পাবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, ফাস্ট ট্র‌্যাক কোর্টে কতটা দ্রুত বিচার হয়। কারণ নির্ভয়া মামলাতেও ফাস্ট ট্র‌্যাক কোর্টে বিচার শুরু হয়েছিল। অথচ সাত বছর পরেও মেয়ের প্রতি সুবিচারের অপেক্ষা দিন গুণছেন বদ্রীনাথ সিং এবং আশা দেবী।   
ছবি:‌ এএনআই         

জনপ্রিয়

Back To Top