আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বয়স মাত্র ১৫। মেয়েটি স্কুলে পড়ে। কিন্তু তার বিয়ে ঠিক করে ফেলেছেন বাবা। মেয়ে চায় প‌ড়াশোনা চালিয়ে যেতে। এটাই ছিল নাবালিকা মেয়েটির অপরাধ। পড়তে চাওয়ায় মেয়েকে ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে খালের জলে ফেলে দিল বাবা। তবে সৌভাগ্যের বিষয় কিশোরীটি প্রাণে বেঁচে গিয়েছে। এখন হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের এই কিশোরী। 
পুলিস সূত্রে খবর, জ্ঞান ফেরার পর পুলিসকে পুরো ঘটনাটি জানিয়েছে ওই কিশোরী। সে বলেছে, তার বাবা যখন তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করছিল, তখন তার দাদা তার গলায় কাপড় জড়িয়ে ফাঁস লাগানোর চেষ্টা করে। মেয়ের কাকুতি মিনতিতে কর্ণপাত করেনি বাবা। শাহজাহানপুরের এএসপি দীনেশ ত্রিপাঠী বলেন, ‘‌আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি দেখছি। মেয়েটির বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে। কঠোর পদক্ষেপ করা হবে।’‌
স্থানীয় সূত্রে খবর, মেয়েকে খালের জলে ফেলে দিয়ে আবার দেখতে আসে মেয়ে তখনও বেঁচে আছে কি না। কিন্তু মেয়েটি কোনওক্রমে সাঁতরে পালিয়ে যায়। পরিবারের অন্যদের কাছ থেকেও জানা যায় আরও পড়াশোনা করতে চাওয়া নিয়েই অশান্তি। অশান্তি থেকে কিছুদিন ধরে মেয়েটি থাকত তার দিদি–জামাইবাবুর সঙ্গে। কিন্তু তার বাবা বিয়ে দেওয়ার জন্য জোর করে তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

জনপ্রিয়

Back To Top