আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আসফাক হুসেন। বছর ২২। দিল্লিতে হিংসার ঘটনায় মৃত। দেহ শনাক্ত করতে হাসপাতালের মর্গের বাইরে পড়ে রয়েছে পরিবার। গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছে বছর ২৬–এর রাহুল সোলাঙ্কির দেহ। সারাউদ্দিনের ছেলে মহম্মদ ফারুকও রাজধানীতে হিংসার ঘটনার বলি। ছেলেদের দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে দিল্লির তেগ বাহাদুর হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে বহু হিন্দু–মুসলিম পরিবার। একে অপরের হাত ধরে। বুধবার থেকে এমন একাধিক ছবি মিলিছে দিল্লির এই হাসপাতাল থেকে। 
রাজধানীতে সাম্প্রদায়িক হানাহানির ঘটনায় তিন দিনে মৃত্যুর সংখ্যা ছুঁয়েছে ২৮। জখম ২০০ জনেরও বেশি। হাসপাতালে গেলেই দেখা যাবে, রক্তাক্ত মানুষকে রাস্তা থেকে তুলে আনা হচ্ছে। কারোর মাথায় গুরুতর চোট। কারোর শরীরে বুলেটের দাগ। কারোর শরীরে অ্যাসিড ছোড়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ২৫ জনের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে। জিটিবি হাসপাতালের সুপার সুনীল কুমার গৌতম জানিয়েছেন, ‘‌পুলিশের নির্দেশে মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি করা হয়েছে হাসপাতালে। হাসপাতালের সবকটি দেহের ময়নাতদন্ত হতে আরও বেশ কিছু সময় লাগবে। পুলিশের নির্দেশ পেলেই পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে।
জিটিবি হাসপাতালের সুপার সুনীল কুমার গৌতম বলেছেন, ‘‌দিল্লি পুলিশের নির্দেশে মেডিক্যাল বোর্ড তৈরি করা হয়েছে। সবকটা দেহের ময়নাতদন্ত শেষ হতে কিছু সময় লাগবে। পুলিশের নির্দেশ এলেই সেই দেহগুলো তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৩০ শতাংশেরই বুলেট ক্ষত রয়েছে। ৬০ শতাংশকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। রোগীদের অবস্থা খুবই শঙ্কাজনক। রক্তাক্ত, ঝলসে যাওয়া শরীর নিয়ে প্রতিনিয়ত মানুষজনকে নিয়ে আসা হচ্ছে হাসপাতালে।’‌
 

জনপ্রিয়

Back To Top