আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বন্যায় চারিদিক ভাসছে। প্রতিবেশীরা নিরাপদ আশ্রয়ে উঠে গেছেন। শুধু সুনীতা (‌৪১)‌ ও তাঁর স্বামী শিন্টু যেতে পারেননি। কারণ অন্তত ৪০ টি কুকুরের দেখভাল তাঁরা করেন। তাঁরা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেলে কুকুরগুলির কী হবে?‌ কেরলের ত্রিশূর শহরের থালিকুলামের বাসিন্দা সুনীতা বলছিলেন, ‘‌আমরা তাও নিজেদের খাবার কোনওমতে জোগাড় করে নিতে পারব। কিন্তু কুকুরগুলির কী হবে?‌ ওরা তো খাবার জোগাড় করতে পারবে না। ২০১৮ সালে বন্যার সময়েও সারমেয়দের ছেড়ে আমরা নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাইনি।’‌
প্রায় চার বছর ধরে সারমেয় প্রতিপালন করছেন সুনীতা ও তাঁর স্বামী। সুনীতা বিমা সংস্থার এজেন্ট। স্বামী শিন্টু অটো রিকশা চালান। আয়ের একটা বড় অংশ খরচ করেন সারমেয়দের দেখভালের জন্য।
সুনীতা বলছিলেন, ‘‌গতবছর বন্যার সময়ে একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল। অন্তত ২৫ টি সারমেয়কে সেবার রক্ষা করতে পেরেছিলাম। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও অর্থসাহায্য করেছিল।’‌ 
এক প্রতিবেশী বাড়ি থেকে পোষ্যকে তাড়িয়ে দেওয়ার পর থেকেই সারমেয় প্রেম জেগে উঠেছিল সুনীতার। রাস্তায় অসুস্থ কুকুর দেখলেই শুশ্রুষা করেন এই দম্পতি। এবার বন্যার সময়েও সারমেয়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন সুনীতা ও তাঁর স্বামী। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top