আজকাল ওয়েবডেস্ক: গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে খতম হয়ে গিয়েছে ২৪ ঘণ্টার বেশি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখনও সে চর্চায়। চর্চায় তার ৫২ বছরের জীবনের বিপুল অবৈধ কর্মকাণ্ডের জন্য। চর্চায় তার সঙ্গে কোন কোন রাজনীতিক বা পুলিশকর্তাদের যোগাযোগ ছিল তা নিয়ে। তার স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ, শাগরেদ ধরা পড়েছে অনেকেই। অনেকে আবার নিকেশ। কিন্তু যে এই সব কিছুর উত্তর দিতে পারত, সেই বিকাশই মারা যাওয়ায় সেই সব প্রশ্নের উত্তর আর কখনও মিলবে কিনা তা নিয়ে ধন্দে বিশেষজ্ঞ মহল।
যেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ফুটেজ ঘুরে বেড়াচ্ছে। যদিও সেই ভিডিও সত্যাসত্য যাচাই করা যায়নি এখনও। সেখানে বিকাশকে দুজন বিজেপি নেতা এবং কয়েকজন স্থানীয় নেতার নাম বলতে শোনা গিয়েছে। যাঁদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। এক কংগ্রেস নেতার সঙ্গেও বিকাশের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা গিয়েছে। এছাড়া কানপুরের এক স্থানীয় ব্যবসায়ী, যিনি বিকাশের টাকাপয়সার দিকটি দেখভাল করতেন বলে অভিযোগ, কানপুরের এসএসপি অনন্ত দেও তিওয়ারির সঙ্গেও বিকাশের ছবি ভেসে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও ওই ব্যবসায়ী এখন পুলিশি হেপাজতে। গত সাত তারিখ তিওয়ারিকে প্রভিনশিয়াল আর্মস্‌ কনস্ট্যাবিউলারি বা পিএসি–তে বদলি করা হয়েছে। তাঁকেই গত তিন তারিখ বিক্রু গ্রামের ঘটনায় শহিদ ডিএসপি দেবেন্দ্র মিশ্র চিঠি লিখে সতর্ক করেছিলেন স্থানীয় থানার সঙ্গে বিকাশের যোগাযোগ নিয়ে। সেই চিঠির হদিশ এখনও পর্যন্ত মেলেনি। এছাড়া চৌবেপুর থানার এসএইপও বিনয় তিওয়ারি এবং এসআই কৃষ্ণ কুমার শর্মাকে বিকাশের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং চৌবেপুর থানার ৬৮জন পুলিশকর্মীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিকাশের শিবরাজপুর থানা, বিলহৌর থানা এবং বিঠুর থানার সঙ্গেও যোগাযোগ ছিল। ২০০১ সালে প্রকাশ্য দিবালোকে তৎকালীন বিজেপি মন্ত্রী সন্তোষ শুক্লাকে শিবলি থানার ভিতর রাইফেল দিয়ে গুলি করে মারে বিকাশ। কিন্তু মৃতের ব্যক্তিগত কর্মচারীই বিকাশের পক্ষ নেওয়ায় সে ছাড়া পেয়ে যায়। পাঁচটি খুন এবং আটটি খুনের চেষ্টা সহ ৬২টি মামলা বিকাশের নামে চৌবেপুর থানায় দায়ের হয়নি। তাকে কোনওদিনও রাজ্যের ২৫টি কুখ্যাত অপরাধীর তালিকাভুক্তও করা হয়নি।              

জনপ্রিয়

Back To Top