আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ঠিক সময় ট্রেনের টিকিট পাওয়া এখন প্রায় অসম্ভব। একি দশা তৎকাল টিকিটের ক্ষেত্রেও। কেন টিকিটের জন্য এই হাহাকার তা জানতে সম্প্রতি অপারেশন থান্ডার নামে তদন্ত অভিযান চালিয়েছিল আরপিএফ–এর স্পেশাল ইন্ট্যালিজেন্স ব্রাঞ্চ বা এসআইবি। দেশের ২০৫টি শহরে অভিযান চালিয়ে ৪০৫ জন দালালকে ধরেছে আরপিএফ। তদন্তে আরপিএফ জানতে পেরেছে, ‘‌এএনএমএস/‌‌রেড মির্চি’‌ নামক একটি বিশেষ সফ্‌টওয়্যার ব্যবহার করে রেলের ‘‌তৎকাল সেবা’‌ থেকে প্রচুর তৎকাল টিকিট কেটে নিত এই সব অবৈধ এজেন্ট এবং দালালরা। পরে যাত্রীদের দ্বিগুণ বা তিন গুণ দামে সেই তৎকাল টিকিট বিক্রি করত তারা। রাজস্থানের কোটা থেকে ওই সফ্‌টওয়্যারটি বাজেয়াপ্ত করেছে আরপিএফ। আরপিএফ সূত্রে খবর, ৮৭ ইউজার আইডি দিয়ে আইআরটিসিটি–র ‘‌তৎকাল সেবা’‌ পরিষেবা অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ওই কাজ করত দালালরা। তদন্তের পর ওই অ্যাকাউন্টটি সংশোধন করেছে আরপিএফ। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে কাটা সব টিকিটই বাতিল করা হয়েছে।
 নামের সেই তদন্তে রেল টিকিটের প্রচুর অবৈধ এজেন্ট এবং দালাল ধরা পড়েছিল। এবার এই ঘটনার আরও গভীরে ঢুকে তদন্ত করে এসআইবি জানতে চাইছে এই চক্রের সঙ্গে রেলের কর্মীদের একাংশও জড়িত আছে কিনা। এজন্য রেলের বাণিজ্য বিভাগ থেকে ই–টিকিটের তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে আরপিএফ। সূত্রের খবর, ই–টিকিট বুকিং এবং তার জন্য টাকা লেনদেনের তথ্য মিললেই তৎকাল নিয়ে কালোবাজারির চক্রের পুরো ছবিটা সামনে আসবে। তবে রেলকর্মীদের যোগাযোগের এব্যাপারে রেলের ডিজি অরুণ কুমার বলেছেন, যেহেতু বিষয়টি তদন্তসাপেক্ষ তাই তিনি কিছু বলতে পারবেন না।
ছবি:‌ হ্যালো ট্র‌্যাভেল       

জনপ্রিয়

Back To Top