আজকাল ওয়েবডেস্ক: অনুরাগ–পায়েলের ঘটনার সম্পর্কে মন্তব্য স্বরার। পলিটিক্যালি কারেক্ট থেকে বুঝিয়ে দিলেন তাঁর অবস্থান।
নারীবাদী হিসেবে নাম রয়েছে অভিনেতা স্বরা ভাস্করের। এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও সোচ্চারে নিজের বক্তব্য পেশ করার ক্ষমতা রাখেন তিনি। এর আগে ‘‌মি টু’ আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। কিন্তু এবারের ঘটনাটি খানিক হলেও আলাদা বলে মনে করছেন অনেক নারীবাদীরাও। 
শনিবার পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপের বিরুদ্ধে ‘‌মি টু’ অভিযোগ তুললেন অভিনেতা পায়েল ঘোষ। টুইট করে সেকথা জানিয়ে মোদিকে ট্যাগ করে পদক্ষেপ নিতেও জানালেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে কঙ্গনা হ্যাশট্যাগও শুরু করলেন ‘‌অনুরাগ কাশ্যপকে গ্রেপ্তার করা হোক।’
পায়েল টুইট করে জানান, ‘‌অনুরাগ কাশ্যপ আমার সঙ্গে জোরজবরদস্তি করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজী, দয়া করে তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করুন। এবং এই প্রতিভাধর মানুষটির মুখোশের আড়ালে যে শয়তান লুকিয়ে রয়েছে তাকে চিনুক দেশ। আমার মনে হচ্ছে, আমার জীবন ঝুঁকিপূর্ণ। আমাকে সাহায্য করুন।’‌‌ তারপরই দু’‌ভাগে বিভক্ত হয়ে যায় দেশ। এসমস্ত ঘটনা তখনই ঘটল যখন বিজেপি সমর্থক কঙ্গনা ও বিজেপি বিরোধী অনুরাগের মধ্যে বাকযুদ্ধ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। এছাড়া ২০১৮ সালে যখন বলিউডে মিটু আন্দোলন শুরু হয়, পায়েল ঘোষের একটি আরীবিদ্বেষী টুইট সামনে আসার পরে মানুষের মনে বদ্ধমূল ধারণা তৈরি হচ্ছে যে এই অভিযোগের পেছনে রাজনৈতিক চাল রয়েছে। সেই টুইটে তিনি লিখেছিলেন, ‘‌কেউ ধর্ষণ করেনা। তারা (‌পুরুষেরা) কেবল সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে। তোমার না পোষালে তুমি বেরিয়ে যাও সেখান থেকে। সেটা নিয়ে বিরাট নাটক করার কোনও দরকার নেই তারপরে।’‌ মি টু অভিযোগ পড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অনুরাগ বেশ কয়েকটি টুইট করে জানান যে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ‘‌ভিত্তিহীন’।‌ ‌   
শনিবার থেকেই স্বরা কেবল এই সংক্রান্ত বিভিন্ন মানুষের টুইট শেয়ার করেছেন। কিন্তু নিজে কিছু বলেননি। রবিবার রাতের দিকে তিনি মুখ খুললেন, তিনি জানালেন, ‘‌যেকোনওপ্রকার যৌন হিংসাই অগ্রহণযোগ্য। এবং এরকম কোনও অভিযোগ আসলে আইনিভাবে সেবিষয়ে তদন্ত করা উচিত। যদিও যারা কাঠুয়া কাণ্ডের শিশু গণধর্ষণকে, কুলদীপ সেঙ্গারকে ও চিন্ময়ানন্দকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছে, তাদের কথা বিশ্বাস করা মুশকিল। এটা স্পষ্ট যে আপনারা যৌন হিংসা নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামান না। কেবল নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে এসব ঘটনাকে ব্যবহার করেন।’‌

জনপ্রিয়

Back To Top