আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আশ্চর্য সমাপতন। কাশ্মীর নিয়ে সুষমা শেষ টুইটে লিখেছিলেন, ‘‌ধন্যবাদ প্রধানমন্ত্রী। এই দিনটা দেখার জন্যই বোধহয় আমি বেঁচে ছিলাম। ধন্যবাদ, ধন্যবাদ আপনাকে।’‌ তাহলে কি মৃত্যু দেখতে পাচ্ছিলেন সুষমা? হঠাৎ তাঁর মৃত্যুর খবর আর শেষ টুইট, সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত গল্প যেন তৈরি হল সুষমাকে ঘিরে। না হলে এমন টুইট শেষ কথায় লিখবেন কেন তিনি?‌ রাজনীতি থেকে তাহলে কী আর কিছু পাওয়ার ছিল না তাঁর?‌
ছিল না হয়ত। ক্রমে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব হিসেবে নিজেকে সরিয়ে নিতে চাইছিলেন তিনি। অনেকেই বলত, তিনি মোদি শিবিরের লোক নন। তাই ক্রমে রাজনীতির থেকে তাঁর একটা দূরত্ব তৈরি হওয়া স্বাভাবিক ছিল। তাই হয়ত ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। বিদেশ মন্ত্রক এত সাফল্যের সঙ্গে সামলানোর পরেও নিজেই ঘোষণা করলেন, ভোটে দাঁড়াবেন না তিনি। তারপর ক্রমে রাজনীতির আঙিনা থেকে সরিয়ে নিলেন নিজেকে। আর তারপরেই কাশ্মীর নিয়ে এই টুইট এল। মৃত্যুর কয়েকঘণ্টা আগে। 
বিদেশ মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলানোর সময়ে কাশ্মীর ও পাকিস্তান নিয়ে তাঁকে শক্ত ভাষায় ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করতে দেখে গিয়েছে। কুলভূষণ যাদবের হয়ে আন্তর্জাতিক আদালতে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করা থেকে শুরু আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পাকিস্তানকে কোনঠাসা করে ক্রমে কুলভূষণ যাদবের বিষয়টিকে আরও শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়েছিলেন সুষমা। ভারতীয় রাজনীতির এক অধ্যায়কে সঙ্গী করে, সংঘ পরিবার ও বিজেপির এক আদি ইতিহাসকে সঙ্গী করে প্রয়াত হলেন তিনি।  
 

জনপ্রিয়

Back To Top