আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রতিবাদ করা মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু তা বলে দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা আটকে রাখলে চলবে কীকরে?‌ শাহিনবাগের সঙ্গে মধ্যস্থতায় আসার চেষ্টা শীর্ষ আদালতের। আইনজীবী সঞ্জয় হেগড়েকে প্রতিবাদীদের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের দায়িত্ব দিল সুপ্রিম কোর্ট।
দু’‌মাসের বেশি হতে চলল শাহিনবাগ আন্দোলনের। দিল্লির হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় কোলে বাচ্চা নিয়ে বসে রয়েছেন বিভিন্ন বয়সের মহিলারা।       
আইনজীবী অমিত সাহনি হাইকোর্টের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন, শাহিনবাগের রাস্তায় যাতে যানবাহন চলতে পারে সহজে। সুপ্রিম কোর্টে এই আবেদনের শুনানি ছিল সোমবার।
আগামী সোমবার, ২৪ তারিখ সুপ্রিম কোর্ট একজনম মধ্যস্থতাকারীকে পাঠাবেন শাহিনবাগের আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে। এই দায়িত্ব পড়েছে দু’‌জন আইনজীবীর ঘাড়ে। সঞ্জয় হেগড়ে ও সাধনা রামাচন্দ্রন। এক্ষেত্রে তাঁদের সাহায্য করবেন মুখ্য তথ্য কমিশনার ওয়াজাহাত হাবিবুল্লাহ। পাশাপাশি শীর্ষ আদালত আন্দোলনকারীদের কাছে আবেদন রাখলেন, যেন তাঁরা রাস্তা না আটকে প্রতিবাদ করেন। এবং অবস্থানটিকে অন্য কোনও সুবিধানজনক জায়গায় নিয় যাওয়া যায় কিনা, সেই নিয়ে কথা বলার অনুরোধ রাখলেন। ‘‌প্রতিবাদ করাটা মৌলিক অধিকার। কিন্তু এতদিন ধরে রাস্তা আটকে রাখলে তাতে নিত্যযাত্রীরা বিপদে পড়ছেন। এতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। আজ আপনারা রাস্তা আটকে প্রতিবাদ করছেন। কাল আপনাদের কাছ থেকে উপায় পেয়ে অন্যেরা করবে।’‌ ভিম আর্মি প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ বলেছিলেন, ‘‌একদিন এ দেশে আরও পাঁচ হাজারটি শাহিনবাগ তৈরি হবে।’‌ এই প্রসঙ্গ টেনে সুপ্রিম কোর্ট জানাল, ‘‌পাঁচ হাজার হোক বা তার বেশি। প্রতিবাদ করতে পারবে না, সেটা বলছি না। কিন্তু দেখবেন যেন আন্দোলনের জন্য রাস্তার যান চলাচাল কোনওভাবে ব্যহত না হয়।’ দিল্লি পুলিশের কাছে এই সমস্যার সমাধানের দাবি করে একটি এফিডেভিটের আবেদনও জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ‌দিল্লি পুলিশের আইনজীবী জানিয়েছেন, আন্দোলনকারীরা নিজেরাই বিকল্প জায়গা পছন্দ করতে পারেন। শেষে শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ‘‌আমরা আশা রাখছি, কিছু না কিছু সমাধান বের করা যাবে। যদি না হয়, সেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের কাছে এই বিষয়টি হস্তান্তরিত হয়ে যাবে।’‌  ‌‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top