আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ছোটবেলার ‘‌হাতা খুন্তি কড়াই’ খেলাটি মনে আছে?‌ সেই খেলাই কিন্তু আজ করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচিয়ে দিচ্ছে মানবজাতিকে। এভাবেই খেলতে খেলতে ‘‌সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং’ বা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রী বাজার করে নিয়ে যাচ্ছেন।‌
২১ দিনের লকডাউন। কাশ্মীর ছাড়া এই পরিস্থিতি এখনও পর্যন্ত অন্য কোনও রাজ্য দেখেনি। কী হবে তার চেহারা?‌ খাদ্যবস্তু মিলবে তো?‌ এই ভয়ে লকডাউন ঘোষণা করতে না করতেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানুষের হঠাৎ ভিড়। ভিড় এড়াতেই এত কিছু, কিন্তু হায়। দুধ, ওষুধ, চাল, ডাল সব একেবারে ২১ দিনের জন্য মজুত করতে দোকানে দোকানে লাইন, ঠেলাঠেলি।

কীভাবে এড়ানো যায় এই ভিড়। মাথা থেকে বেরল এক অভিনব উপায়। সাদা চক দিয়ে দোকানের সামনের জায়গাটায় খানিক দূরে দূরে এঁেক দেওয়া হল একাধিক গোল। সেই লক্ষণরেখার মধ্যে থাকতে হবে খরিদ্দারদের। এক এক করে খরিদ্দার গোল থেকে গোলে পা দিয়ে দিয়ে এগিয়ে গিয়ে জিনিস নেবেন। পিছনের লাইটাও সেই মতোই ‘‌হাতা খুন্তি কড়াই’ খেলতে খেলতে নিরাপদে বাজার করে বাড়ি ফিরবেন।‌  
লকডাউনের প্রথম দিনে দিল্লিতে এই অভিনব বাজার পদ্ধতি দেখতে পাওয়া গেল। শুধু দিল্লিতেই নয়। একে একে গুজরাট, পদুচেরির বিভিন্ন দোকানের ছবি উঠে এল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইতিমধ্যে টুইটারে ভাইরাল হয়ে গেল পদুচেরির একটি দুধের দোকানের ছবি। রাজ্যপাল কিরণ বেদি ছবিটি নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করেছেন। দেখা যাচ্ছে, গোলে পা রেখে রেখে এগিয়ে চলেছে লাইনটি। বজায় রয়েছে ‘‌সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং’‌। 

জনপ্রিয়

Back To Top