আজকাল ওয়েবডেস্ক: ‌পণের জন্য বধূহত্যা বা বধূর আত্মহত্যা এ দেশে একটা বড় সমস্যা। যার কোনও সমাধান এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। কিন্তু এবার এই পণপ্রথা রুখতে কড়া হল দেশের শীর্ষ আদালত। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, পণপ্রথায় মামলা হলে পুলিসকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮এ ধারায় মামলা হলেই পুলিসকে গ্রেপ্তার করতেই হবে।
সুপ্রিম কোর্টের মুখ্য বিচারপটি দীপক মিশ্র সহ আরও দুই বিচারপতি এএম খানউইলকার এবং ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ৪৯৮এ ধারার পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে৷ কারণ এর সঙ্গে অপরাধপ্রবণতার কারণ জড়িয়ে আছে৷ বধূ নির্যাতনের অন্যতম হাতিয়ার পণপ্রথা৷ সেই অপরাধকে দ্রুত নির্মূল করা প্রয়োজন৷ এই ধারার তাই সংশোধনী করে বিশেষ রায় দিল শীর্ষ আদালত৷ সেই সঙ্গে পরিবার কল্যাণ কমিটিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, পণপ্রথার অভিযোগ এলে তা যেন খতিয়ে দেখা হয় এবং তারপরই পুলিস যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। 
২০১৭ সালের ২৭ জুলাই শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ‘‌আমরা মনে করি তদন্তকারী অফিসার এ বিষয়ে খুব ধীরে সুস্থে তদন্ত করবেন এবং পণপ্রথার অভিযোগকে খতিয়ে দেখবেন’‌। অর্থাৎ সঙ্গে সঙ্গে গ্রেপ্তার করা যাবে না। সেইসময় সুপ্রিম কোর্ট এই ধারা অপব্যবহার রুখতেই এই নির্দেশ দিয়েছিল। ৪৯৮এ ধারা নিয়ে পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছিল শীর্ষ আদালত৷ তারা জানিয়ে ছিল, ৪৯৮এ ধারায় মামলা হলেই স্বামী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের তৎক্ষণাত গ্রেপ্তারির যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেই নির্দেশ পুনর্বিবেচনা করে দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই রায়ের বদল ঘটিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮–এ ধারায় কোনও অভিযোগ পেলে গ্রেপ্তার করতে হবে অভিযুক্তদের৷ বিশেষত, পণ সংক্রান্ত বধূ নির্যাতনের মামলা হলে, এফআইআরের সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে৷ তারপর দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে অভিযুক্তকে৷ 


 

জনপ্রিয়

Back To Top