আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মধ্যপ্রদেশের পর রাজস্থানেও কি ক্ষমতা হারাতে চলেছে কংগ্রেস?‌ এখন এই প্রশ্নেই জেরবার গোটা দেশ। কংগ্রেসের একদল মনে করছেন, এখনই এ রকম কিছু হচ্ছে না। সরকার ভেঙে বেরিয়ে যাচ্ছেন না উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলট। কিন্তু তাঁর সাম্প্রতিক কিছু কাজকর্ম অন্য কথাই বলছে। খবর, রাজস্থানে কংগ্রেসের প্রধান শচীন নাকি দিল্লি গিয়ে বিজেপি–র সঙ্গে কথা বলছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছে ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বিধায়কও। এখনও রফাসূত্র বের হয়নি। 
কোন বিষয় নিয়ে রফা চলছে দুই পক্ষের?‌ সূত্র বলছে, আজ নয়, বরং লকডাউনের শুরু থেকেই বিজেপি–র সঙ্গে কথা চলছে শচীনের। সময়টা মার্চের শেষ।
২০১৮ সালে রাজস্থানে ভোটে জেতে কংগ্রেস। তখন থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ পাখির চোখ ছিল শচীনের। কিন্তু প্রবীণ নেতা অশোক গেহলত টেক্কা দিয়ে বেরিয়ে যান। বিজেপি বলছে, শচীন পাইলট সরকার ফেলে দিলেই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীর পদ পেতে পারবেন।
কিন্তু সরকার ভেঙে বিজেপি–তে যোগ দিলেও সেটা কি সম্ভব?‌ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিজেপি–র মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া। তাঁকে সরিয়ে শচীনকে মুখ্যমন্ত্রী করা চাপ অমিত শাহদের। কারণ বসুন্ধরার পাশে রয়েছেন ৪৫ জন বিজেপি বিধায়ক। 
বিজেপি–র অন্দরের খবর, শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে এখনও পাইলটের বৈঠক হয়নি। দিনক্ষণও নির্দিষ্ট হয়নি। তবে রাজস্থানে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন বিজেপি–র জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি রাজস্থানের নেতা।
আর একটি সূত্র বলছে, এখনই বিজেপি–তে যাচ্ছেন না শচীন। বরং আঞ্চলিক দল গঠনের দিকে নাকি ঝুঁকেছেন। এই নিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথাও চলছে। সেক্ষেত্রে তাঁর কিছু দাবিদাওয়া মেটানো হলে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ে সরকারে থেকে যেতে পারেন রাজেশ পাইলট–পুত্র। 
 

জনপ্রিয়

Back To Top