আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ যেখানে ঘৃণা, নৃশংসতা আছে, সেখানে রাম নেই!‌ ভূমি পুজোর পর মুখ খুললেন রাহুল গান্ধী। অভিনন্দন জানালেন টুইটে। তার সঙ্গে একটু খোঁচাও মিশিয়ে দিলেন। টুইটে লেখেন, ‘‌রাম মানে প্রেম। ঘৃণার মধ্যে দিয়ে তাঁকে কখনও প্রকাশ করা যায় না। রাম মানে সহানুভূতি। নৃশংসতার মধ্যে তাঁর বিকাশ হয় না। রাম মানে ন্যায়। অন্যায়ের মধ্যে তাঁর প্রতিফলন হয় না।’ এদিন অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজোর ঐতিহাসিক মুহূর্তের আগেই টুইট করে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের দায়িত্বে থাকা প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘অযোধ্যায় রামলালার মন্দিরে ভূমিপুজো রাষ্ট্রীয় একতা, সংহতি আর সংস্কৃতির প্রতীক হয়ে উঠুক। সারল্য, সাহস, প্রতিরোধ, ত্যাগ, অঙ্গীকার– সবই দীনবন্ধু রামের নামের নির্যাস। রাম সকলের সঙ্গে আছেন। রাম সর্বত্র বিরাজমান।’‌ 
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শংকর প্রসাদ–এর বক্তব্য, 
‘‌আজ ঐতিহাসিক দিন। বহু প্রজন্মের আত্মত্যাগ, অপেক্ষা ও ধৈর্যের পর আজ রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ভারত ও বিশ্বের বহু মানুষ শতকের পর শতক এই দিনের অপেক্ষায় ছিলেন। গত ৫০০ বছরের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত মুহূর্তে উপস্থিত থাকার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ধন্যবাদ। প্রধানমন্ত্রী মোদির তৈরি করা কাজের পরিকল্পনা আমাদের রূপায়ণ করতে হবে। এই মন্দির শুধু ভগমান রামেরই নয়, ভারতেরও মহানতার সৌধ হয়ে উঠবে।’‌ 
এআইএমআইএম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি বলেছেন, ‘‌ভারত ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নেওয়া শপথ লঙ্ঘন করেছেন মোদিজি। আজকের দিন গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার পরাজয়, হিন্দুত্বের সাফল্য।’‌ 
রাম মন্দির আন্দোলনের কথা স্মরণ করে মোহন ভাগবত বলেন, ‘অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগ রয়েছে। তাঁরা আজ এখানে শারীরিকভাবে থাকতে পারেননি। কেউ কেউ এখানে আসতে পারেননি। (লালকৃষ্ণ) আডবাণীজি নিশ্চয়ই বাড়িতে বসে এই অনুষ্ঠান দেখছেন। অনেকেরই আজ এখানে থাকা উচিত ছিল, কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো সম্ভব হয়নি।’

জনপ্রিয়

Back To Top