সংবাদ সংস্থা, বেঙ্গালুরু: প্রতিটি মন্ত্রক, প্রতিটি দপ্তরে সঙ্ঘের লোক বহাল করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ওঁরাই সরকার চালাচ্ছেন।‌ বললেন রাহুল গান্ধী। বাসে চড়ে উত্তর কর্ণাটকে চলছে রাহুলর ভোট–প্রচার। চারদিনের যাত্রার শেষলগ্নে এসে শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের জমায়েতে উদ্বিগ্ন কংগ্রেস সভাপতি বলেন, নীতি আয়োগেও সঙ্ঘেরই লোকজন। রাহুলের মতে, সঙ্ঘের বদান্যতায় আজ বিদেশনীতি শোচনীয় অবস্থায়। সার্ক তালিকাভুক্ত দেশগুলোতে চীনের আধিপত্য। পিছিয়ে পড়েছে ভারত। শিল্পপতিদের সমাবেশে মোদি সরকারের অর্থনীতিকেও এক হাত নিয়েছেন রাহুল। বলেছেন, ‌সঙ্ঘের কথাতেই নোট–বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ওই পরামর্শ দেয়নি। রাহুলের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর হঠকারিতায় ছোট ব্যবসায়ীরা মার খাচ্ছেন। স্রেফ বড় ব্যবসায়ীদের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। ছোট ব্যবসায়ীদের ধরাছোঁয়ার বাইরে উনি। ২০১৯-‌এ কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে খটমট জিএসটি-‌র সংশোধন হবে। 
সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত দু’‌দিন আগে বলেছেন, দেশের প্রয়োজনে তিনদিনের মধ্যে সেনাবহিনী দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। প্রচারসভায় রাহুল আজ আবারও বলেন, ‌জওয়ানদের আত্মবলিদানকে অপমান করেছেন মোহন ভাগবতজি। ওঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত।‌ এদিকে, রাহুলের কর্ণাটক সফর নিয়ে অন্য একটি প্রসঙ্গে তরজায় মেতেছে কংগ্রেস-‌বিজেপি। বিজেপি-‌র অভিযোগ, মাংস খেয়ে মন্দির দর্শনে গিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি, যা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। রাহুল নিরামিষ পদ খেয়েছেন। ছবি–সহ প্রমাণ দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও বিজেপি তা মানছে না। প্রসঙ্গত, চারদিনের সফরে কর্ণাটকের বাসে করে ৭০০ কিমি যাত্রা করেছেন রাহুল। ঘুরছেন বেল্লারি, কোপ্পাল, রায়চুর, ইয়াড়াগিরি, গুরবর্গা জেলায়। রাস্তার ধারে ছোট ছোট সভা করেছেন। বিভিন্ন মঠ, মন্দির পরিদর্শন করেছেন। আবার গুলবর্গার বিখ্যাত খোয়াজা বন্দে নওয়াজের দরগাতেও গিয়েছেন। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top