আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ কেন গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা তথা জম্মু–কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহকে?‌ জম্মু–কাশ্মীর সরকারকে নোটিস পাঠিয়ে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট।
জম্মু–কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল করার পরেই বন্দি করা হয় উপত্যকার তামাম বিরোধী নেতাদের। ন্যাশনাল কনফারেন্সের ফারুক আবদুল্লা, ওমর আবদুল্লাহ, পিডিপি–র মেহবুবা মুফতি, তালিকায় কে নেই। কয়েকদিন আগেই সেই বন্দিদশা কাটলেই জনসুরক্ষা আইনে ফের ওমর আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর তারপর ওমরের মুক্তির দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দেন ওমরের বোন সারা আবদুল্লা পাইলট। অবিলম্বে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে মুক্তি দেওয়া হোক, শীর্ষ আদালতে আবেদন বলেন তিনি। আর সেই আবেদনের শুনানিতেই সুপ্রিম কোর্ট এবার নোটিস পাঠাল জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনকে। যদিও আইনজীবী কপিল সিব্বলের করা জরুরি শুনানির আবেদন খারিজ করে দিয়ে দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, আগামী ২ মার্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে। ওই দিনের মধ্যেই নোটিসেরও জবাব দিতে হবে প্রশাসনকে।
এর আগে সম্প্রতি ওমর আবদুল্লাকে জন সুরক্ষা আইন বা পিসিএ আইনে বন্দি করার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। একটি ডসিয়ারের মাধ্যমে জানানো হয়েছিল কেন ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতাকে বন্দি করা হচ্ছে ওই কড়া আইনে। সেখানে ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতার বিরুদ্ধে ‘‌জঙ্গিবাদ এবং ভোট বয়কট চলাকালীনও সমর্থন সংগ্রহের চেষ্টা’‌ অন্তর্ভুক্ত করা রয়েছে। ওই ডসিয়ারে আরও বলা হয়েছে যে, ওমর আবদুল্লা যে কোনও সময়েই কাশ্মীরের লোকজনকে প্রভাবিত করতে পারেন। আর তাই তাঁকে নজরবন্দি করে রাখা হয়েছে।‌

জনপ্রিয়

Back To Top