আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ অলোক বর্মাকে নিয়ে বিতর্ক যেন কিছুতেই থামছে না। পদ থেকে দ্বিতীয়বার অপসারিত হওয়ার পর শুক্রবারই নতুন পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন বর্মা। তবে তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছিল। কিন্তু এবার অলোক বর্মার পাশে দাঁড়ালেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি এ কে পট্টনায়েক। পরিষ্কার জানালেন, অলোক বর্মার বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনও অভিযোগ নেই। পট্টনায়েকের নেতৃত্বেই প্রাক্তন সিবিআই কর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে সেন্ট্রাল ভিজিল্যান্স কমিটি। আর তাঁর এই বক্তব্য ঘিরেই তৈরি হয়েছে নয়া বিতর্ক। তাহলে কীসের ভিত্তিতে অপসারণ করা হল অলোক বর্মাকে?‌ উঠছে প্রশ্ন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে পট্টনায়েক জানান, ‘‌প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সিলেক্ট কমিটি দ্বিতীয়বার অলোক বর্মাকে পদ থেকে সরানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা খুবই কঠিন সিদ্ধান্ত। রিপোর্ট একান্তই সিভিসির, তাঁর নয়।’ ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টকে একথা জানিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি পট্টনায়েক। প্রসঙ্গত, আরেক অপসারিত সিবিআই অধিকর্তা রাকেশ আস্থানার অভিযোগের ভিত্তিতেই অলোক বর্মার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সিভিসি। 
এদিকে, শুক্রবার ডিজি ফায়ার পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল অলোক বর্মাকে। কিন্তু সেই পদ গ্রহণ না করে ইস্তফা দেন। পাশাপাশি তাঁর আগে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেন, ‘বিভিন্ন বিষয়ে বাইরে থেকে আমার উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল৷ সিবিআই–এর মতো তদন্তকারী সংস্থার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার চেষ্টা হচ্ছিল৷ আমি সংস্থার স্বতন্ত্রতার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম৷’ কেবল বর্মা নন, সিলেক্ট কমিটি সিবিআই প্রধানকে বরখাস্ত করার পরই, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ শানিয়েছিল কংগ্রেসও৷ বর্মাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে, ভয় পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে সরিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে তাঁরা৷ রাফালে ইস্যু টেনে প্রধানমন্ত্রীকে খোঁচা দেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও৷ মুখ খোলেন সিলেক্ট কমিটির আরেক সদস্য লোকসভায় বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গেও।
 

জনপ্রিয়

Back To Top