‌‌‌‌পিটিআই, কাঠমান্ডু: গোল বেঁধেছিল বিমানচালক এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার (‌এটিসি)‌-‌এর কথোপকথনে। সেটাই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ। অবতরণের কয়েক মুহূর্ত আগে এটিসি জানতে চেয়েছিলেন, ২ না ২০, কত নম্বর রানওয়েতে বিমান নামানো যায়?‌ চালক বলেছিলেন, ‘‌২০ নম্বরে। সেটা সম্ভব হবে কী?‌’‌ এটিসি-‌র নিষেধ তাঁর কানে যায়নি। উনি বলেছিলেন ২ নম্বর রানওয়েতে নামতে। চালক জিজ্ঞাসা করেন, ‘‌আমরা নামতে পারি?‌’‌ এটিসি বলেছিলেন, ‘ঘুরে আসুন।’‌ তারপর কয়েক সেকেন্ডের নিস্তব্ধতা। অতঃপর দুর্ঘটনা। গতকাল কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে অবতরণের মুখে দুর্ঘটনার পর দুরমুশ হওয়ার বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করে, ৪ মিনিটের ওই কথাবার্তা শুনে এই তথ্যই দিয়েছেন নেপালের তদন্তকারীরা। 
গতকাল ঢাকা থেকে কাঠামান্ডু পাড়ি দেওয়া ইউএস-‌বাংলা এয়ারলাইন্সের রানওয়েতে টাল খেয়ে, দগ্ধ অবস্থায় ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লাগোয়া একটি ফুটবল মাঠে ছিটকে পড়ে। বিমানে ছিলেন ৬৭ জন যাত্রী, ৪ কর্মী। যাত্রীদের ৩৩ জন ছিলেন নেপালি, ৩২ জন বাংলাদেশি, একজন চীনা, একজন মালদ্বীপের নাগরিক। গতকাল মৃত্যু হয়েছিল ৪৯ জনের। আজ তা বেড়ে দঁাড়িয়েছে ৫১। বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজকুমার ছেত্রি জানিয়েছেন, ‘‌ফ্লাইট ডেটা রেকর্ডার উদ্ধার হয়েছে।’‌ গত ২৫ বছরে এমন বড় বিমান দুর্ঘটনা দেখেনি নেপাল।

জনপ্রিয়

Back To Top