‌আজকালের প্রতিবেদন, দিল্লি: সামনের ১ তারিখ থেকে স্বাস্থ্যবিমার পরিধি আরও অনেকটা বেড়ে যাবে। এখন যেখানে ৩০ ধরনের অসুখ বিমার আওতার বাইরে আছে, তা কমে হবে ১৭। বিমার আওতায় আসবে নিউরো ডিসঅর্ডার, ওরাল কেমোথেরাপি, রোবোটিক সার্জারি ও স্টেম সেল থেরাপির মতো বিষয়গুলি। তবে এর ফলে বিমার প্রিমিয়ামও ৫ থেকে ২০ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে। এমনিতেই স্বাস্থ্যবিমার প্রিমিয়াম আগের থেকে অনেক বেড়ে গিয়েছে, এবং তার ফলে বিশেষ করে অনেক অবসরপ্রাপ্ত মানুষের পক্ষে বিমা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন তা আরও বাড়াটা সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে বড়সড় দুঃসংবাদ।
স্বাস্থ্যবিমার ক্ষেত্রটিতে যে অনেক গাফিলতি আছে, তা দেশের ইনসিওরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অথরিটি (‌আইআরডিএআই)‌ ভালই জানে। সেই কারণেই বেশ কিছু নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেমন কী পরিষেবা দেওয়া হবে তা সহজ ভাষায় লিখতে হবে যাতে গ্রাহকেরা বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে তুলনা করে দেখতে পারেন। টেলিমেডিসিন–কে (‌টেলিফোন, ফ্যাক্স, ই–‌মেলের মাধ্যমে পাওয়া চিকিৎসকের সুপারিশ)‌ পরিষেবার আওতায় আনতে হবে। গ্রাহকের দাবি মানা না–মানার বিষয়টিকে আরও স্বচ্ছ করতে হবে। গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে অসুখের কথা ৪ বছরের মধ্যে চিকিৎসক জানিয়েছেন, সেই অসুখকে ‘‌প্রিএক্সিস্টিং’‌ হিসেবে ধরা হবে। তাছাড়া বিমা করার ৩ মাসের মধ্যে কোনও অসুখ ধরা পড়লে তা–ও আগে থেকে ছিল বলে ধরে নেওয়া হবে। ৮ বছর প্রিমিয়াম দেওয়ার পর কোনও ক্লেম খারিজ করা যাবে না, নতুন কোনও শর্তও জোড়া যাবে না। আইসিইউ চার্জের পুরোটাই ক্লেম হিসেবে ধরা হবে, কিন্তু হাসপাতালের ঘরভাড়া আংশিক পাওয়া যাবে। একাধিক বিমা থাকলে একটি বিমার সীমা পেরিয়ে গেলে আর একটি বিমা থেকে বাকি খরচের জন্য দাবি পেশ করা যাবে। তাছাড়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, দাবির নিষ্পত্তি করতে হবে এক মাসের মধ্যে। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top