আজকালের প্রতিবেদন, দিল্লি: বাগে আনা যাচ্ছে না করোনাভাইরাসকে। আবার লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে সংক্রমণ। গোটা দেশে  ছবিটা একই । গত কয়েক দিন ধরে দৈনিক সংক্রমণ ৪০ থেকে ৪৮ হাজারের মধ্যে ছিল। বৃহস্পতিবার তা পৌঁছয় ৫২ হাজারে। শুক্রবার ৫‌৫ হাজার জনের সংক্রমণের হিসেব দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। যদিও আশার কথা হল, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার হার।
দেশে মোট আক্রান্ত প্রায় ১৭ লক্ষের দোরগোড়ায়। মৃত্যুতে স্পেন ও ফ্রান্সকে আগেই পিছনে ফেলেছিল ভারত। শুক্রবার টপকে গেল ইতালিকেও। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৭৭৯ জনের । মোট মৃতের সংখ্যা ৩৫, ৭৪৭। মাত্র ৪৮ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত এক লক্ষের বেশি মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় আমেরিকায় আক্রান্ত ৬৭ হাজার, ব্রাজিলে ৪৩ হাজার এবং ভারতে ৫৫ হাজার।  কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত ৫৫,০৭৮ জন। এখন অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৫,৪৫,৩১৮। সুস্থতার হার বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেরে উঠেছেন আরও ৩৭,২২৩ জন। মোট সুস্থ হলেন প্রায় সাড়ে ১০ লক্ষ রোগী। এখন সুস্থতার হার ৬৪.৫৪ শতাংশ। মৃত্যুর হার ২.১৮ শতাংশ, যা বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ রুখতে না পারলেও ব্যাপক হারে পরীক্ষা করে রোগীদের চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করলে সুফল মিলবে। আইসিএমআর শুক্রবার ফের জানিয়েছে, এখন থেকে প্রতিদিন গড়ে ১০ লক্ষ নমুনা পরীক্ষার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। এখনও অবধি প্রায় দু’‌কোটি মানুষের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। দৈনিক নমুনা পরীক্ষায় সংক্রমণের হার চলতি সপ্তাহের গোড়ায় ১০ শতাংশের নীচে ছিল। কিন্তু, গত দু’দিনে বেড়েছিল। শুক্রবার তা কমে হয়েছে ৮.৫৭ শতাংশ।
দেশের মধ্যে মৃত্যুর নিরিখে এখনও সবার ওপরে মহারাষ্ট্র। মৃত ১৪,৭২৯ জন। দ্বিতীয় দিল্লি। মৃত ৩,৯৩৬ জন। ৩,৮৩৮ জনের মৃত্যুতে তামিলনাড়ু তৃতীয়। গুজরাটে মৃত ২,৪১৮ জন। কর্ণাটকে মৃত ২,২৩০ জন। উত্তরপ্রদেশে ১,৫৮৭, অন্ধ্রপ্রদেশে  মৃত ১,২৮১ জন।

জনপ্রিয়

Back To Top