আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আর স্নায়ুর চাপ ধরে রাখতে পারলেন না বিজেপি’‌র সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। তাই মঙ্গলবার জানিয়ে দিলেন ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি’‌র প্রধানমন্ত্রী পদের মুখ নরেন্দ্র মোদিই। কিন্তু মহাজোটের প্রধানমন্ত্রী পদের মুখ কে?‌ এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েই তিনি প্রমাণ করলেন সব আঞ্চলিক দলের এক জায়গায় আসাকে ভয় পেয়েছেন শাহ। তা না হলে হঠাৎ এমন মন্তব্য করা নিঃসন্দেহে স্নায়ুর চাপ ফেলিওর বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। 
এই নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীকে জেতানোর জন্য কঠিন পাথরের মতো সমর্থন দেওয়া হবে। এমনকী দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদি এবার ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই কথাও ঘোষণা করেছেন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। কিন্তু কেন ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ?‌ বারাণসী থেকে কেন সরে আসবেন প্রধানমন্ত্রী?‌ এইসব প্রশ্নের জবাব অবশ্য দেননি শাহ। তবে দলীয় সূত্রে খবর, এবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধী–জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জুটি লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের দায়িত্ব সামলাবেন। এটা জানতে পেরেই সরে গিয়েছেন মোদি। কারণ নতুন প্রজন্মের এই জুটির কাছে এঁটে উঠতে না পেরে হেরে গেলে মুখ দেখানো যাবে না। 
আরও একটি সূত্র বলছে, এই চাপের পাশাপাশি সপা–বসপা জোট হওয়ায় চাপ আরও বেড়েছে মোদি–শাহ জুটির। তাই নরেন্দ্র মোদিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও অনেকের মতে হেরে যাবে বুঝতে পেরেই আগাম কেটে পড়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এই বিষয়ে অমিত শাহ ঘুরিয়ে বলেন, ‘‌বিজেপি কর্মীরা আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল, এই মহাজোটের ফলে কী হবে?‌ আমি তাদের বললাম, হৃদয় থেকে মহাজোটের ভয় ঝেড়ে ফেলতে হবে। কারণ মহাজোটের কাছে রয়েছে রাজ্যস্তরের নেতা। আর বিজেপি’‌র কাছে রয়েছে জাতীয় স্তরের নেতা।’‌ অর্থাৎ বিজেপি কর্মীরা যে ভয় পেয়েছে মহাজোটকে তা কার্যত স্বীকার করে নিলেন তিনি। আহমেদাবাদে মেরা পরিবার, বিজেপি পরিবার শীর্ষক প্রচারে গিয়ে এভাবেই ভয়ের কথা কবুল করলেন শাহ বলে মনে করা হচ্ছে। 

জনপ্রিয়

Back To Top