আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ ২০১৯–এর লোকসভা ভোটের আগে আবারও জনমোহিনী মোদি। দলিতদের পর এবার উচ্চবর্ণের লোকেদের কাছে পাওয়ার চেষ্টা। উচ্চবর্ণের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির ভোট ব্যাঙ্ক পেতে সরকারি চাকরিতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণের প্রস্তাবে সিলমোহর দিল মোদি সরকার। সোমবার মন্ত্রিসভায় সর্বসম্মতিতে পাস হয়ে যায় এই প্রস্তাব। পাঁচ একরের কম জমি যাঁদের এবং যাঁদের বার্ষিক আয় ৮ লাখের কম তাঁরা সংরক্ষণ আওতায় আসবেন।
এই প্রস্তাব পাসের সঙ্গে সঙ্গে এবার মোদি সরকার সংরক্ষণ আইন সংশোধনে উদ্যোগী হবে। কারণ এই সংরক্ষণ কার্যকর করতে হলে সংবিধানের ১৫ এবং ১৬ নম্বর ধারার সংশোধন করতে হবে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী উচ্চবর্ণের অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণিও এই সংরক্ষণের আওতায় পড়বেন। যেটা ১৫ এবং ১৬ নম্বর ধারায় উল্লেখ করা নেই। 
মোদি সরকারের এই প্রস্তাব কার্যকর হলে সমাজের একটি বড় অংশ সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সুবিধা পাবেন। একদিকে যখন কর্মসংস্থানই দিতে পারছে না মোদি সরকার, তখন ‌অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেণির জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ চমক ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মনে করছেন বিরোধীরা। 
ইতিমধ্যেই মোদির এই সংরক্ষণ প্রস্তাব পাসের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন দলিত নেতা কাঞ্চা ইলাইয়া। তিনি জানিয়েছেন গরিব মানুষের স্বার্থে এই উদ্যোগ অত্যন্ত শুভ। 
যদিও পুরোটাই ২০১৯–এর ভোট ব্যাঙ্ক বাড়ানোর কৌশল তা বুঝতে বাকি নেই রাজনীতিকদের। সমালোচকরা তাই একে মোদি সরকারের নতুন গিমিক ছাড়া আর কিছু বলতে রাজি নন। 

জনপ্রিয়

Back To Top