Murder Mystery: জাতীয় স্তরের দলিত খেলোয়াড়ের খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডের রহস্যভেদ!

আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রাক্তন জাতীয় স্তরের খো-খো খেলোয়াড়ের মৃত্যু এবং ধর্ষণের অভিযোগের রহস্যভেদ তিন দিনের মধ্যেই করে ফেলল বিজনোর পুলিশ। ১০ সেপ্টেম্বর চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছিলেন বিজনোরের ২৪ বছরের দলিত খেলোয়াড়টি। কিন্তু রাত হয়ে গেলেও বাড়ি ফেরেননি। পরে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় কাছের রেললাইনের মধ্যে থেকে উদ্ধার করেন এক প্রতিবেশী। হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। দলিত তরুণীটির বাড়ি থেকে ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়। 
প্রথমে তদন্তভার জিআরপি-র হাতে থাকলেও পরে তা চলে বিজনোর পুলিশের দায়িত্বে। তিন দিনের মধ্যে কিনারা করে ফেলে তারা। তবে এই রহস্যভেদে সবথেকে সাহায্য করেছে তরুণীর বন্ধুর কল রেকর্ড। এর সঙ্গে তরুণীর হারিয়ে যাওয়া মোবাইলের লোকেশন ট্রেস করে শাহজাদ ওরফে হাদিম নামক এক রেল শ্রমিককে গ্রেপ্তার করে। জানা গেছে, ১০ তারিখ দুপুর দুটো নাগাদ তরুণীটিকে জোর করে রেললাইনে নিয়ে যায় হাদিম। সে সময় বন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা বলছিলেন তরুণীটি। হাদিম টেনেহিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করার চেষ্টা করলে চিৎকার করতে থাকেন তরুণীটি। চুপ করাতে মারধর এবং ওড়না দিয়ে শ্বাসরোধ করে হাদিম এবং মোবাইলটি নিয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।
ফোনটি বাড়ি গিয়ে সুইচ অফ করে দিলেও তাতে লাভ হয়নি। জানা গেছে হাদিম বিবাহিত এবং তার একটি মেয়ে আছে। কিন্তু সে মাদকাসক্ত এবং রেলস্টেশন থেকে চুরিচামারি করায় তার নামে চারটে অভিযোগ দায়ের করা আছে। বন্ধুর কল রেকর্ড এবং তরুণীর ফোনের লোকেশন খুঁজে হাদিমকে পাকড়াও করে পুলিশ। তার পিঠে নখের আঁচড়ের চিহ্ন পাওয়া যা সম্ভবত ধর্ষণের চেষ্টার সময় বাঁচার তাগিদে তরুণীর নখের দাগ। ডিএনএ পরীক্ষা করে তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। তিন দিনের মধ্যে খুনের কিনারায় খুশি হয়ে তদন্তের সঙ্গে যুক্ত পুলিশকর্মীদের প্রত্যেককে ২৫,০০০ টাকা করে পুরস্কার দিচ্ছেন এসপি ধরমবীর সিং।