আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ স্কুলে দেওয়া আয়রন–ফলিক অ্যাসিডের ট্যাবলেট খেয়ে মারা গিয়েছে এক ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে মুম্বইয়ের গোবান্ডির শিবাজিনগরে পুরসভার দু’‌নম্বর উর্দু স্কুলে। এরপরই খবর আসে সঞ্জয় নগরের পুরস্কুলেও ওই ট্যাবলেট খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে ২১১ জন ছাত্রছাত্রী ভর্তি ঘাটকোপারের রাজাওয়াড়ি হাসপাতালে। ৩৬ জন ভর্তি গোবান্ডির শতাব্দী হাসপাতালে। ছাত্রছাত্রীরা সবাই রোগের উপসর্গ হিসেবে জ্বর, বমি এবং শরীরে ব্যথার অভিযোগ করেছে। যদিও চিকিৎসকরা আশ্বস্ত করে বলেছেন, চিন্তা না করতে। একজনের মৃত্যু হওয়াতেই বাকি ছাত্রছাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।    
চাঁদনি শেখ নামে ১৩ বছরের ওই ছাত্রীর বাবা, মায়ের অভিযোগ, তাঁদের মেয়ে সুস্থ ছিল। সোমবার স্কুলে চাঁদনি এবং তার সহপাঠীদের আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিডের ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। বাড়ি ফিরেই চাঁদনির জ্বর হয় এবং বমি হতে থাকে।

মঙ্গলবার সে স্কুলে যায়নি। আবার বুধ এবং বৃহস্পতিবার স্কুলে যায়। বৃহস্পতিবার রাতে রক্তবমি করতে থাকায় মেয়েকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান তাঁরা। চিকিৎসক তার এক্স রে করতে বলেন। শুক্রবার সকালে রাজওয়াড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই চাঁদনি মারা যায়।
বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন বা বিএমসি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, গত সোমবার পুরস্কুলগুলিতে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য পরিষেবা কর্মসূচি অনুযায়ী ছাত্রছাত্রীদের আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিডের ট্যাবলেট, ‘‌অ্যালবেনড্যাজোল’‌ দেওয়া হয়েছিল। ছাত্রছাত্রীদের রক্তাল্পতা দূর করতে প্রতি সপ্তাহেই এভাবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য কর্মসূচি হিসেবে এই ট্যাবলেট দেওয়া হয়। বিএমসি–র এক্সিকিউটিভ স্বাস্থ্য অফিসার পদ্মজা কেসকরের দাবি, সব ওষুধই ছাত্রছাত্রীদের দেওয়ার আগে পরীক্ষা করা হয়। ওই ছাত্রীর অটোপসি করা হয়েছে। সেই রিপোর্ট পেলেই তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তার আগে থেকেই কোনও রোগ ছিল কিনা সেটাও বোঝা যাবে।  ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top