আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ হায়দরাবাদ ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তদের এনকাউন্টারে জড়িত পুলিসকর্মীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে এফআইআর দায়েরের পিটিশন দিলেন মুম্বইয়ের আইনজীবীরা। শুক্রবারই সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছেন আইনজীবীরা। আজ পিটিশন দিলেন। ওই আবেদনের প্রতিলিপি তেলঙ্গানা হাই কোর্ট, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং তেলঙ্গানা পুলিসের ডিজি–র কাছেও পাঠিয়েছিলেন তাঁরা। অ্যাডভোকেট গুণরত্ন সাদাভার্তে মতে, পুলিসকর্মীরা এনকাউন্টারের নামে হেপাজতে থাকা চার অভিযুক্তকে খুন করেছেন। সেকারণেই এফআইআর–এর আবেদন জানিয়েছিলেন তাঁরা। 
প্রসঙ্গত, শুক্রবার সকালে সামশাবাদে যেখানে পশু চিকিৎসকের দেহ মিলেছিল, সেই ঘটনাস্থলেই মহম্মদ আরিফ, জল্লু নবীন, জল্লু কিশোর এবং চিন্নাকেশভুলু নামে চার অভিযুক্তকে সংঘর্ষে নিকেশ করে সাইবারাবাদ পুলিস। ওই ঘটনায় কার্যত দুভাগ হয়ে গিয়েছে দেশ। একপক্ষ যেমন অভিযুক্তদের খতম করার জন্য হায়রাবাদ পুলিসকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছে। আরেক পক্ষ প্রশ্ন তুলেছে, বিচারাধীন অভিযুক্তদের এভাবে এনকাউন্টারের নামে হত্যা করে একরকম নিজেদের ব্যর্থতাই ঢাকতে চেয়েছে পুলিস।
নির্ভয়ার পরিবার, কাঠুয়ায় গণধর্ষিতা বালিকার পরিবার বা উন্নাও গণধর্ষিতার পরিবার যেমন এই ঘটনায় সন্তোষপ্রকাশ করেছে। তাদের এই মনোভাবকে তথাকথিত অনেক সমাজকর্মী তির্যকভাবে দেখলেও হয়ত ভেবে দেখার সময় এসেছে, কেন তাদের এমন মনোভাব প্রকাশ পেল। ২০১২ সালে নির্ভয়ার মৃত্যুর পর ফাস্ট ট্র‌্যাক কোর্ট গড়ে মামলা শুরু হয়। ২০১৯–এর শেষে এসেও দোষীদের সাজা কার্যকর হয়নি। কাঠুয়াকাণ্ডে দোষীরা জেলে থাকলেও বালিকার পরিবারকে ভয়ে জম্মুছাড়া হতে হয়েছে। জেলে বসেই উন্নাও–এর নির্যাতিতাকে রাস্তায় ট্রাকের ধাক্কায় পিষে মারার ছক কষেছিল কুলদীপ সিং সেঙ্গার। এঁরা সবাই বিচারব্যবস্থার উপরই ভরসা রেখেছিলেন। কিন্তু আজও তা কার্যকর না হওয়াতেই অধৈর্য হয়ে উঠছে নির্যাতিতাদের পরিবার।‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top